মুহূর্তের সব খবর ছেপে
দিতে ভিন্নমাত্রা,
শেরপুরেতে হয় যে শুরু
শ্যামলবাংলার যাত্রা।

ডিসি ছিলেন জাকীর হোসেন
গুণী এবং মানী,
অনলাইনের গুরুত্বে দেন
উদ্বোধনী বাণী।
তৎকালীন এক তরুণ নেতা
মেয়র ছিলেন রুমান,
তথ্য পেতে ইন্টারনেটে
দিলেন অনেক প্রমাণ।

প্রকাশনার দায়িত্বভার
যার ওপরে অর্পণ,
সম্পাদক সেই আধার সাহেব
সমাজের এক দর্পণ।
আইন পেশায় আছেন উনি
খবর ছাপেন সত্য,
যেথায় যেটা ঘটে যখন
তুলে ধরেন নিত্য।
এলাকাতে উন্নয়ন আর
সরকারের সব চাওয়া,
শ্যামলবাংলার অনলাইনে
যায় যে সবই পাওয়া।
সমাজেতে অনিয়ম আর
অসামাজিক কর্ম,
খুঁজে খুঁজে প্রকাশ করাও
শ্যামলবাংলার ধর্ম।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাটা
সম্পাদকের নীতি,
দেশ-জাতি ও মাতৃভাষায়
গভীর যে তাই প্রীতি।
নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন
শাহ আলম বাবুল,
তার মৃত্যুতে জুবায়ের সেই
পদটি করেন কবুল।
‘মা-মাটি ও মানুষের কথা বলে’
আদর্শিক এই সেøাগান,
শ্যামলবাংলা কর্ম দিয়ে
করে যাচ্ছে প্রমাণ।
উদ্দেশ্য নয় এখন তো আর
শুধুই খবর প্রকাশ,
লেখক-কবির লেখাও এতে
হচ্ছে অনেক বিকাশ।
সফলতার ছয়টি বছর
গেলো তোমার কেটে,
ডিজিটালের অগ্রযাত্রায়
শুধুই ইন্টারনেটে।
জন্মদিনে আমরা তোমায়
জানাই অভিনন্দন,
সত্য জয়ে সদা তোমার
অটুট থাকুক বন্ধন।
সবিনয়ে রইলো আরো
ছোট্ট একটি আশা,
সবার সাথে রেখো বজায়
স্বচ্ছ ভালোবাসা।




