শ্যামলবাংলা স্পোর্টস : বাংলাদেশকে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ৩০৮ রানের বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে নিউজিল্যান্ড।
রবিবার ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ৩০৭ রান সংগ্রহ করে নিউজিল্যান্ড। টম ল্যাথামের সঙ্গে অ্যান্টন ডেভসিচের ৬৬ রানের ঝড়ো উদ্বোধনী জুটি নিউজিল্যান্ডকে ভালো সূচনা এনে দেয়। ল্যাথাম দেখেশুনে খেললেও ডেভসিচ খেলেছেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। মাহমুদুল্লাহর বলে শর্ট ফাইন লেগে আব্দুর রাজ্জাকের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে তার সংগ্রহ ৩৮ বলে ৪৬। এরপর বেশীক্ষণ টেকেননি ৩ নম্বর ব্যাটসম্যান গ্রান্ট এলিয়ট (৩)। রাজ্জাকের বলে মিড অনে ক্যাচ দিয়ে দ্রুত বিদায় নেন তিনি। একশ পেরুনোর পর সাজঘরের পথ ধরেন ল্যাথামও। ৭৩ বলে ৪৩ রান করা ওই ওপেনারকে রুবেল হোসেনের বলে গ্লাভসবন্দী করেন মুশফিকুর রহিম। এরপর কলিন মানরোর সঙ্গে রস টেইলরের ১৩০ রানের জুটিতে অতিথিদের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে উঠে। ৭৭ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৮৫ রান করেন সিরিজে প্রথমবারের মত খেলতে নামা মানরো। তিনি আউট হন মাহমুদুল্লাÍ বলে। এরপর কোরি অ্যান্ডারসন (১) সোহাগ গাজীর বলে পুল করতে গিয়ে শর্ট থার্ড ম্যানে জিয়াউর রহমানের হাতে ক্যাচ দিলে স্বস্তি ফেরে বাংলাদেশ শিবিরে। তবে টেইলর আর লুক রঞ্চির আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৫ ওভার ৪ বল বা ৩৪ বল স্থায়ী অবিচ্ছিন্ন ষষ্ঠ উইকেটে ওই দুজন গড়েন ৭৫ রানের জুটি। রুবেলকে ব্যক্তিগত ৩ রানে ফিরতি ক্যাচ দেয়া টেইলরের ব্যাট থেকে আসে ১০৭ রান। এটি তার নবম শতক। টেইলরের ৯৩ বলের ইনিংসে ৯টি চার ও ৩টি ছক্কা। এর মধ্যে সোহাগ গাজীর করা ৪৭তম ওভারে টানা ত ছক্কাও রয়েছে। তার আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে শেষ ১৫ ওভারে ১৪৬ রান তুলে নিউজিল্যান্ড। ৩৬ রানে ২ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার মাহমুদুল্লাহ।




