ads

বুধবার , ১২ আগস্ট ২০২৬ | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নকলায় এতিমখানার তালিকায় থাকলেও বাস্তবে নেই ১৬ এতিম, বরাদ্দ যাচ্ছে লাখ লাখ টাকা

স্টাফ রিপোর্টার
আগস্ট ১২, ২০২৬ ৪:০২ অপরাহ্ণ

শেরপুরের নকলায় জানকীপুর দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসা এ মোহাম্মদীয়া এতিমখানায় বাস্তবে এতিম না থাকলেও এতিমদের নামে লাখ লাখ টাকা সরকারি বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতি ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটির নামে সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা। উপজেলা সমাজসেবা অফিস ও মাদ্রাসা সংশ্লিষ্টের দেওয়া তথ্যানুযায়ী তালিকায় ১৬ জন এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর নাম থাকলেও সরেজমিন অনুসন্ধাকালে তালিকাভুক্ত ৪ শিশুর বাবা-মা জীবিত থাকার তথ্য পাওয়া যায়। তাদের কেউ কেউ আবার প্রতি মাসে ৩০০ টাকা বেতন দিয়ে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে বলেও জানা যায়।

Shamol Bangla Ads

সরেজমিন অনুসন্ধাকালে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য এতিমখানার অফিস সহকারী শাহ মো. উমর ফারুককে এতিমদের রেজিস্ট্রার, খরচের বিল-ভাউচার, বরাদ্দের তালিকা ও রেজুলেশন খাতা দেখাতে বলা হলে উমর ফারুক জানান তিনি ছুটিতে আছেন।

অভিযোগ উঠেছে, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য সরকারি অর্থ বরাদ্দ হলেও তালিকায় প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিতদের বদলে অন্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমনকি কমিটির সদস্যের সন্তানদের নাম সুবিধাবঞ্চিতের তালিকায় রয়েছে বলে জানা যায়।

Shamol Bangla Ads

স্থানীয়রা জানান, একসময় জানকীপুর দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসা ও মোহাম্মদীয়া এতিমখানাটি সুশৃঙ্খল পরিবেশে চলত। শিক্ষার্থীও ছিল অনেক। বর্তমানে পরিচালনা কমিটির অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে ।

অভিভাবক আব্দুল কাদির জানান, মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে এতিম নাই বললেই চলে। তারপরেও ছয় মাস পরপর প্রায় দুই লাখ টাকা করে সরকারি বরাদ্দ উত্তোলন করা হচ্ছে।

অভিযোগ বিষয়ে জানকীপুর দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসা ও মোহাম্মদীয়া এতিমখানা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শামীম ফরাজি মুঠোফোনে জানান, কাগজপত্র দেখিয়েই এতিমদের বরাদ্দ আসছে। বাস্তবে এতিম না থাকলে আমাদের কি করার আছে।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রুমান হাসান জানান, আমাদের কাছে মাদ্রাসা থেকে দেওয়া তালিকায় ১৬ জন এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর নাম রয়েছে। তবে এতিম না থাকার বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে আমাদের নজরে এসেছে। বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!