ads

মঙ্গলবার , ১১ আগস্ট ২০২৬ |
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নালিতাবাড়ীতে ১৬ শিক্ষক-কর্মচারীর বিপরীতে পরীক্ষার্থী ২১, দাখিলে পাস করলেন মাত্র ১ জন

অভিজিৎ সাহা, নালিতাবাড়ী - ফটো কার্ড
আগস্ট ১১, ২০২৬ ৬:০৪ অপরাহ্ণ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নয়াবিল ইউনিয়নের বাদলাকুড়া দাখিল মাদ্রাসায় ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় হয়েছে। এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন মাত্র একজন। এতে মাদ্রাসাটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ।
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, বাদলাকুড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবার ২১ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ২০ জনই অকৃতকার্য হয়েছেন।

Shamol Bangla Ads

মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ১৩ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন। অর্থাৎ ২১ জন পরীক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ১৬। এত শিক্ষক-কর্মচারী থাকার পরও ফলাফলের এমন বিপর্যয় নিয়ে স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির গত কয়েক বছরের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, পাসের হার ওঠানামা করলেও সামগ্রিকভাবে তা নিম্নমুখী। ২০২২ সালে ১৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০ জন পাস করেন। পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮২ শতাংশ। ২০২৩ সালে ১৯ জনের মধ্যে ৬ জন পাস করেন, পাসের হার ৩১ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ২০২৪ সালে ১৬ জনের মধ্যে ৬ জন পাস করেন, হার ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। আর ২০২৫ সালে ২০ জনের মধ্যে ৭ জন পাস করেন, পাসের হার ছিল ৩৫ শতাংশ। তবে চলতি বছর ফলাফলে বড় ধরনের ধস নেমেছে। ২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র একজন পাস করায় পাসের হার নেমে এসেছে ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশে।

Shamol Bangla Ads

প্রতিষ্ঠানটির ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী ফলাফল নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ও পরীক্ষার্থীর অনুপাতে এত কম শিক্ষার্থী পাস করার কারণ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে বাদলাকুড়া দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠার পর ২০০৫ সালে মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত হওয়ার সব যোগ্যতা অর্জন করেছিল। কিন্তু এখনো এটি নন-এমপিও প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে। পুরোনো অনেক শিক্ষক অবসরে চলে গেছেন। নানা বাস্তবতায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছে।

Need Ads