ads

সোমবার , ৬ জুলাই ২০২৬ | ২৪শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পুরনো চুক্তির খেসারত দিচ্ছে বিদ্যুৎ খাত: প্রতিমন্ত্রী

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ৬, ২০২৬ ৭:৪০ অপরাহ্ণ

বিগত সরকারের ভুল নীতি এবং বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রের স্বার্থ উপেক্ষা করে সম্পাদিত চুক্তির খেসারতেই দেশের বিদ্যুৎ খাতে বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সেই সীমাবদ্ধতা নিয়েই কাজ করছে। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্বারোপ করে সরকারের মেয়াদ শেষে অন্তত ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে চলমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম উপস্থিত ছিলেন।

Shamol Bangla Ads

প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা যেখানে প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট, সেখানে উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে ২৯ থেকে ৩০ হাজার মেগাওয়াট। অর্থাৎ, ২০ শতাংশ আপৎকালীন রিজার্ভ হিসাব করলেও প্রয়োজনের চেয়ে প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট বাড়তি সক্ষমতা অলস পড়ে আছে। আর এই বাড়তি সক্ষমতার বিপরীতে বছরের পর বছর বিপুল অঙ্কের ‘ক্যাপাসিটি চার্জ’ বা কেন্দ্র ভাড়া গুনতে হচ্ছে, যা আমাদের জাতীয় অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, আগের সরকারের করা চুক্তিগুলোতে রাষ্ট্রের স্বার্থ যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়নি। তবে সার্বভৌম চুক্তি হওয়ায় সেগুলো একতরফাভাবে বাতিল করা সম্ভব নয়। তাই আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যুতের ট্যারিফ (মূল্যহার) পুনর্নির্ধারণের চেষ্টা চলছে এবং গত মাসেও কয়েকটি ক্ষেত্রে দাম সংশোধন করা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন, ২০১০ বাতিল হলেও পুরোনো চুক্তিগুলো বহাল থাকবে বলে জানান সচিব মিরানা মাহরুখ। তিনি উল্লেখ করেন, একটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের চুক্তি বাতিল করলে তাৎক্ষণিকভাবে বিপুল বিদ্যুৎ ঘাটতি তৈরি হবে, যা পূরণে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে। তাই বিদ্যুৎ সরবরাহ ও বিনিয়োগের ভারসাম্য বজায় রেখেই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

লোডশেডিং প্রসঙ্গে পিডিবি চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম বলেন, বর্তমানে প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট চাহিদা পূরণ করা হলেও ময়মনসিংহ ও গাজীপুর অঞ্চলে গ্রিডের সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু এলাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও সঞ্চালন ব্যবস্থার দুর্বলতায় তা নির্ধারিত এলাকায় পৌঁছানো যাচ্ছে না। ফলে সেখানে তরল জ্বালানিনির্ভর ইঞ্জিনচালিত কেন্দ্র চালাতে হচ্ছে, যেগুলো টানা ২৪ ঘণ্টা পরিচালনা করা সম্ভব হয় না। তবে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সঞ্চালন ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে বলে জানান তিনি।

প্রি-পেইড মিটারে ১০০ বা ২০০ সংখ্যার দীর্ঘ রিচার্জ কোডজনিত সাম্প্রতিক সমস্যা সম্পর্কে সচিব বলেন, এটি মূলত ট্যারিফ পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট একটি প্রযুক্তিগত জটিলতা ছিল। ভবিষ্যতে এ ধরনের সমস্যা এড়াতে মিটার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আগেভাগেই প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হয়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!