ads

মঙ্গলবার , ১৭ মার্চ ২০২৬ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বর্জ্য অপসারণে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মার্চ ১৭, ২০২৬ ৩:৫০ অপরাহ্ণ

বর্জ্য অপসারণে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের পাশাপাশি এ খাতে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় প্রকৌশলীদের কাজে লাগানোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনকে আরও তৎপর হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তিনি। ১৭ মার্চ মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

Shamol Bangla Ads

সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মহানগর (ঢাকা) নিয়ে খুবই সিরিয়াস। তিনি সব সময় ওনার নলেজে রাখতে চান যে আমরা কী কাজ করছি, কোথায় কী কাজ বাকি আছে এবং কোথায় কী কাজ করতে হবে। ইতোমধ্যে আমাদের দুইজনকে মহানগরের দায়িত্ব দেওয়ার পর আগে যে শহরের অবস্থা ছিল, তার চেয়ে কিছুটা হলেও উন্নতি হয়েছে, বিশেষ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়।’

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জড়িত কর্মীদের বোনাস পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো সরকারপ্রধান হিসেবে এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দিনরাত যারা কাজ করে, প্রধানমন্ত্রী তাদের জন্য ঈদের উপহার দিয়েছেন, বোনাস দিয়েছেন। সেটা আমরা আজকে দিয়েছি। কর্মচারীরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়েছে, ধন্যবাদটা আমরা ওনাকে পৌঁছে দিয়েছি।’

Shamol Bangla Ads

তবে প্রধানমন্ত্রী এই অগ্রগতিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ‘উনি (প্রধানমন্ত্রী) বললেন, এতে আমি খুশি না, যতটুকু হয়েছে আরও আরও কাজ করতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, খাল-নর্দমা যা আছে এগুলোকে কীভাবে আরও আধুনিকীকরণ করা যায়, এ সমস্ত বিষয়ে উনি দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। ভবিষ্যতে ইনশা আল্লাহ এ সমস্ত বিষয়ে আরও কাজ হবে।’

দেশীয় প্রযুক্তির ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী চান, বিদেশ থেকে আমরা কেন আমদানিনির্ভর হবো? আমাদের এখানে লোকাল যারা স্টুডেন্ট আছে, ইঞ্জিনিয়াররা আছে, মহানগরকে ক্লিন করার জন্য যে সমস্ত ভেহিক্যালস (যানবাহন) বা ডাম্পিং ট্রাক দরকার, সেগুলোর ব্যাপারে উনারা কতটুকু সাহায্য করতে পারবে, লোকালি বানিয়ে দিতে পারবে কি না– এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খুবই সিরিয়াস। আমরা আমদানিনির্ভর না হয়ে আমাদের দেশের ওপর নির্ভর হতে চাই, এটাই ওনার ইচ্ছা। উনি চান লোকাল স্পেয়ার পার্টস বা লোকাল ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করুক।’

ঈদকেন্দ্রিক প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘ঈদকেন্দ্রিক নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী আমাদের দিয়েছেন। এটা নিয়ে আমরা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রেরা সাথে সাথে দুই-তিনটা মিটিং করে ফেলেছি। ঈদের সময় যারা শহর ছেড়ে যাবে, তারা যাতে নির্বিঘ্নে যেতে পারে, সে জন্য বিভিন্ন বাস টার্মিনালগুলো যেখানে আছে, সেখানকার রাস্তাঘাটগুলো কিছুটা সংস্কার করে দিয়েছি।’ তিনি জানান, প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী প্রতি সপ্তাহেই তাদের কাছে জানতে চান এবং সেই ধারাবাহিকতায় আজ তাদের এখানে আসা।

মশার উপদ্রবে সৃষ্ট অস্বস্তিকর পরিবেশ এবং এ বিষয়ে পরিকল্পনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মশা নিয়ে কাজ করতে গেলে একটু সময় লাগে। আগের চেয়ে কিছুটা উন্নতি হয়েছে তা সবাই বলছে। আমরা প্রতিনিয়ত মনিটরিং করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অলরেডি উত্তর সিটি করপোরেশনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঠিকভাবে কাজ হচ্ছে কি না, এটি তদারকির জন্য একটা কমিটি করে দিয়েছি। আমাদের যে সংখ্যক পরিচ্ছন্নতাকর্মী আছে, তা দিয়ে কাজ করা খুবই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই লোকাল ওয়ার্ড প্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে কাজ করার জন্য আমরা সহযোগিতা করছি।’

মশা নিধনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মশা শুধু ওষুধ দিয়ে নিধন করা যায় না। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার ফলে যে সমস্ত খাল, নর্দমা এবং ড্রেন রয়েছে– ওষুধের পাশাপাশি সেগুলো পরিষ্কার করার ক্রাশ প্রোগ্রাম আমরা হাতে নিয়েছি। ইতোমধ্যে অনেকগুলো খাল ও নর্দমা পরিষ্কার করেছি এবং এটা অব্যাহতভাবে চলমান থাকবে। অনেক জায়গায় খালগুলোর মুখ বন্ধ হয়ে গেছে, সেটা খনন করার ব্যবস্থা করেছি। পরিকল্পনামতো দ্রুতই আগামী বর্ষার আগেই যাতে আমরা মোটামুটিভাবে শতভাগ না হলেও তার কাছাকাছি যেতে পারি। ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব, এটা আমাদের করতেই হবে।’

নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন ও ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার উন্নয়নে কারিগরি সহায়তা দিতে কাজ করছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। এ নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর সচিবালয়ে বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. এহসান সাংবাদিকদের জানান, বর্জ্য অপসারণে স্বয়ংক্রিয় (অটোমেশন) ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে পৌরসভা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে। তিনি আরও বলেন, বুয়েট উদ্ভাবিত ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার বাস্তবায়ন এবং দেশেই প্রয়োজন অনুযায়ী যন্ত্রপাতি উন্নয়নের বিষয়েও কাজ চলছে। তবে এখনো এর কোনো সময়সীমা নির্ধারণ হয়নি।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!