ads

শনিবার , ৭ মার্চ ২০২৬ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ তেল নেওয়া যাবে ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মার্চ ৭, ২০২৬ ১:০৫ অপরাহ্ণ

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে ভোক্তাদের মধ্যে কারা কতটুকু জ্বালানি ফিলিং স্টেশন থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন, সেটি নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। ৬ মার্চ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। এতে বলা হয়েছে, এখন থেকে মোটরবাইক সর্বোচ্চ ২ লিটার ও প্রাইভেটকার সর্বোচ্চ ১০ লিটার পেট্রোল/অকটেন কিনতে পারবে।

Shamol Bangla Ads

এতে বলা হয়, দেশের জ্বালানি তেলের মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে আস্থার সংকট নিরসণ এবং সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে জানানো যাচ্ছে যে, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় জ্বালানি তেলের ব্যবহার অপরিহার্য। দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ হতে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধগ্রস্ত/বিলম্বিত হয়। চলমান বৈশ্বিক সংকট পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুদ পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তা/গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা লক্ষ্যে করা যাচ্ছে। এই অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ডিলাররা বিগত সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। তাছাড়া কিছু কিছু ভোক্তা ডিলার/ফিলিং স্টেশন থেকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুদ করার চেষ্টা করছেন মর্মে খবর প্রকাশ হচ্ছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসি সহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশের জনগণের ভয়/আতঙ্ক হ্রাস করার লক্ষ্যে জানানো যাচ্ছে যে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ হতে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিতভাবে পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা হতে সারাদেশের সব ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগণ/ট্যাংকারের মাধ্যমে প্রেরণ করা হচ্ছে। আশাকরা যাচ্ছে যে, স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের বাফার স্টক (পর্যাপ্ত মজুদ) গড়ে উঠবে। জনগণের চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ/বিপিসি কর্তৃক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিটি বাইক ২ লিটার, প্রাইভেটকার ১০ লিটার, জিপ/মাইক্রোবাস ২০-২৫ লিটার, পিকাপ/লোকাল বাস (ডিজেল) ৭০-৮০ লিটার ও দূরপাল্লার ট্রাক/বাস (ডিজেল) সর্বোচ্চ ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল কিনতে পারবে।

জ্বালানি তেল সরবরাহ গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য শর্তাবলী

১. ফিলিং স্টেশন হতে জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে ক্রয় রশিদ প্রদান করতে হবে।

২. ফিলিং স্টেশন হতে প্রতিবার জ্বালানি তেল গ্রহণের সময় পূর্ববর্তী ক্রয় রশিদ/বিলের মূল কপি জমা প্রদান করতে হবে।

৩. ডিলাররা উপরোক্ত বরাদ্দ ও নির্দেশনা অনুযায়ী ক্রয় রশিদ গ্রহণ করে ভোক্তা প্রান্তে জ্বালানি তেল সরবরাহ করবে।

৪. ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুদ ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল উত্তোলন করবে।

৫. তেল বিপণন কোম্পানিগুলো ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহ দেয়ার পূর্বে বর্তমান বরাদ্দের আলোকে মজুদ ও বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করবে। কোনভাবেই বরাদ্দের বেশি সরবরাহ করা যাবে না।

উল্লেখ্য,দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল ক্রয়/বিক্রয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তাছাড়া, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যে প্রতিমাসের শুরুতে সরকার কর্তৃক নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার অদ্যবধি কোনরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি। বর্ণিত অবস্থায় দেশের সব ভোক্তা/ডিলারদের বর্ণিত নির্দেশনা অনুসরণ করে দেশের জ্বালানি তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করা হলো।

Need Ads
error: কপি হবে না!