ads

সোমবার , ২ মার্চ ২০২৬ | ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

সাহরিতে কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মার্চ ২, ২০২৬ ১:০৯ অপরাহ্ণ

রমজান ইসলামি ক্যালেন্ডারের একটি পবিত্র মাস, যে মাসে মুসলমানরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখেন। এই মাসে মানুষ নিয়মিত নামাজ পড়তে অনুপ্রাণিত হন। বিশেষ করে তারাবির মতো বিশেষ নামাজ আদায় করেন যা শুধু রমজানেই পড়া হয়। পাশাপাশি ইবাদত-বন্দেগি বৃদ্ধি পায় এবং নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াতের প্রবণতাও বাড়ে। রমজান মাসে রোজা রাখতে হয়, অর্থাৎ সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানি পান করাও নিষিদ্ধ। তাই সাহরিতে সঠিক খাবার নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যাতে সারাদিন ক্ষুধা ও পিপাসা কম লাগে।

Shamol Bangla Ads

সাহরি হলো সূর্যোদয়ের আগে খাওয়া খাবার, যা আপনাকে সারাদিন শক্তি ও তৃপ্তি জোগায়। সাহরিতে কী খাচ্ছেন, তার ওপরই নির্ভর করে আপনার রোজা কতটা সহজে কাটবে। চলুন, জেনে নিই রোজা সহজে পালনের জন্য সাহরিতে যা খাবেন এবং যা এড়িয়ে চলবেন।

সাহরিতে যা খাবেন

Shamol Bangla Ads

১। জটিল শর্করা
জটিল শর্করা হলো এমন পূর্ণ ও অপরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট, যাতে আঁশ বেশি থাকে এবং যা ধীরে হজম হয়। এগুলো দীর্ঘসময় শক্তি জোগায় এবং পেট ভরা রাখে। যেমন- আটার পরোটা, ব্রাউন রাইস, ওটস, বার্লি, কুইনোয়া ও মিষ্টি আলু।

২। প্রোটিন
প্রোটিন দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখে। এটি হজম হতে বেশি সময় নেয়, তাই সাহরির জন্য উপযুক্ত। উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার বিপাকক্রিয়া বাড়াতে এবং পেশী গঠনে সাহায্য করে। যেমন- ডিম, মুরগির মাংস, গ্রিক দই ও চর্বিহীন গরুর মাংস।

৩। নিম্ন গ্লাইসেমিক সূচকযুক্ত খাবার
গ্লাইসেমিক সূচক হলো একটি মানদণ্ড যা দেখায় কোনো খাবার কত দ্রুত রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায়। উচ্চ গ্লাইসেমিক সূচকের খাবার দ্রুত শক্তি দেয় কিন্তু দ্রুতই শক্তি কমিয়ে দেয়। তাই নিম্ন গ্লাইসেমিক সূচকের খাবার খাওয়া উত্তম। যেমন- ছোলা, বেশিরভাগ সবজি, বার্লি, কাজু ও আখরোটের মতো বাদাম এবং চেরি ও এপ্রিকটের মতো ফল।

৪। দই
রোজার সময় পানি পান করা যায় না, তাই শরীরকে হাইড্রেট রাখা জরুরি। দইয়ে পানির পরিমাণ বেশি থাকে এবং এটি শরীর ঠাণ্ডা রাখে। এটি গ্যাস্ট্রিক ও ভারীভাব কমাতেও সাহায্য করে। সাহরিতে কয়েক চামচ দই রাখলে উপকার পাবেন।

৫। ডাবের পানি
ডাবের পানিতে প্রাকৃতিক চিনি, খনিজ ও ইলেক্ট্রোলাইট থাকে যা শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। এটি শরীর ঠাণ্ডা রাখে এবং গরম কমায়।

সাহরিতে যা এড়িয়ে চলবেন

১। ভাজাপোড়া খাবার
ইফতারে ভাজাপোড়া খাওয়া গেলেও সেহরিতে তেলযুক্ত খাবার খাওয়া ভালো নয়। তেলযুক্ত খাবার সারাদিন পিপাসা বাড়ায় এবং রোজা রাখা কঠিন করে তোলে। প্রয়োজনে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করতে পারেন, এতে অতিরিক্ত তেল ও ক্যালরি কম থাকে।

২। ঝাল খাবার
ঝাল খাবারও তেলযুক্ত খাবারের মতোই সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি পেটের সমস্যা করতে পারে এবং রোজার সময় ওষুধ খাওয়াও সম্ভব নয়। তাই সাহরিতে মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।

৩। উচ্চ গ্লাইসেমিক সূচকযুক্ত খাবার
এই ধরনের খাবার দ্রুত শক্তি বাড়ায়, কিন্তু দ্রুতই শক্তি কমিয়ে দেয়। যেমন- সাদা পাউরুটি, তরমুজ, চিনি, সিরিয়াল, সাদা ভাত ও আলু।

৪। অতিরিক্ত পানি
শুনতে অদ্ভুত লাগলেও, সাহরিতে অতিরিক্ত পানি খেলে সাময়িকভাবে ক্ষুধা কমে কিন্তু দীর্ঘসময় শরীর হাইড্রেট থাকে না। ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত সময়টায় অল্প অল্প করে পানি পান করাই বেশি উপকারী।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!