শেরপুরের নকলা উপজেলার নকলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবু বকর সিদ্দিক ফারুক শতাধিক লোক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
২৬ জানুয়ারি সোমবার সকালে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর নকলা উপজেলা সদরের বাসভবনে গিয়ে চেয়ারম্যান ফারুক তাঁর সাথে আসা শতাধিক লোক নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করে ফাহিম চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

ওই সময় চেয়ারম্যান ফারুক বিএনপির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আগামীদিনে দলকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। যোগদান অনুষ্ঠানে বিএনপির বিভিন্ন স্তরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ফাহিম চৌধুরী বিএনপিতে নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, নকলার মানুষ পরিবর্তন চায়। জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারে সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করা হবে।
ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক জানান, আমার বাবা মরহুম মোফাজ্জাল হোসেন সরকার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। তবে আমি কোন রাজনৈতিক সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম না। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান সোজাকে হারিয়ে আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। বিএনপির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আগামীদিনে দলকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।

উল্লেখ্য, ২০২১ সনের তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঢাকাস্থ ধানমন্ডির দলীয় কার্যালয় থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ এবং জমা দিয়েছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক। শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ তাঁকে দলীয় সমর্থন না দিলেও ফারুক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান সোজাকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং পরবর্তীতে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সাবেক এমপি প্রয়াত মতিয়া চৌধুরীকে তাঁর ঢাকাস্থ বাসভবনে গিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন ফারুক।
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্থানীয় বিএনপির অনেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।




