ads

শুক্রবার , ৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ২শ বছরের ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত

জুবাইদুল ইসলাম
জানুয়ারি ৯, ২০২৬ ১১:৩৪ অপরাহ্ণ

শেরপুর শহরের নবীনগর ছাওয়াল পীরের দরগা সংলগ্ন খোলা মাঠে বসেছিল দুইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা। ৯ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেলে নবীনগর এলাকাবাসীর উদ্যোগে প্রতিবছরের মতো এবারও এ পৌষমেলার আয়োজন করা হয়।

Shamol Bangla Ads

মেলায় ছিল বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ, তরুণ-যুব সহ শিশুদের উপচেপড়া ভীড়। পৌষমেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী ‘গাঙ্গি’ খেলা (কুস্তি) ছাড়াও ঘোড়দৌড়, সাইকেল রেস এবং নারীদের জন্য মিওজিকাল চেয়ার খেলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পৌষমেলার প্রধান আকর্ষণ ‘গাঙ্গী খেলা’ এবার বড়-মাঝারি-ছোট এ তিনটি গ্রুপে অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. সিরাজুল ইসলাম, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিএনপি মনোনীত শেরপুর-১ (সদর) আসনের এমপি প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, সদর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মো. হযরত আলী। অতিথিরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিঝয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন।

Shamol Bangla Ads

মেলায় বিভিন্ন পিঠা ও বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন মজাদার খাবারের দোকান বসে। পাশের পালপাড়া এলাকার মৃৎশিল্পীদের সুনিপুণ হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের খেলনা ও তৈজসপত্র ছাড়াও শিশুদের বিভিন্ন ধরনের খেলনা, মেয়েদের প্রসাধনী ও চুড়ি-মালার দোকানের পসড়াও সাজিয়ে বসেন দোকানীরা। এছাড়া গ্রামীণ ঐতিহ্যের চিনির তৈরি সাজ, উরফা, কদমা, বাতাসা, নিমকি কালাই, খুরমা, ঝুরি, মিষ্টি এবং বিভিন্ন মুখরোচক খাবারের দোকানও বসে। শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষের উপচে পড়া ভীড়ে পৌষমেলা হয়ে উঠে জমজমাট ও প্রাণবন্ত।

মেলায় গ্রামের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার হাজার হাজার নারী-পুরুষ ভীড় জমায়। এ পৌষমেলাকে ঘিরে নবীনগর ও আশপাশের এলাকার বিয়ে হয়ে যাওয়া মেয়েরা বাবার বাড়ি বেড়াতে আসার প্রচলনও রয়েছে। প্রতি বছর ছাওয়াল পীরের দরগাহ সংলগ্ন মাঠে বাংলা পৌষ মাসের শেষদিন (পঞ্জিকা মতে) এ পৌষমেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেলায় জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুরা ভীড় করে।

শেরপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা বলেন, প্রায় ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে এই পৌষ মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তাই বাবা-দাদার ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেই প্রতিবছর মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। পরের বছর কমিটি গঠন করে আরও বড় আকারে দুই দিনব্যাপী মেলা আয়োজন করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পৌষ মেলা আয়োজক কমিটির সমন্বয়কারী পারভেজ আহম্মেদ জানান, প্রায় দুইশ’ বছর ধরে চলে আসা এ মেলা ধরে রাখার জন্য প্রতি বছরই আয়োজন করা হয়ে থাকে। আগামীতেও এটা ধরে রাখাসহ বড় পরিসেরে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে মেলা উদযাপন কমিটির।

Need Ads
error: কপি হবে না!