ads

মঙ্গলবার , ৫ আগস্ট ২০২৫ | ১৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ইয়েমেন উপকূলে নৌকাডুবিতে নিহত বেড়ে ১৪৪

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
আগস্ট ৫, ২০২৫ ১২:৪২ অপরাহ্ণ

ইয়েমেনের উপকূলে শরণার্থী ও অভিবাসীবোঝাই একটি নৌকা ডুবে ৬৮ জন নিহত হয়েছেন। ওই ঘটনায় আরও ৭৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। নিখোঁজ ব্যক্তিরা মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Shamol Bangla Ads

বিবিসি জানায়, রোববার সন্ধ্যায় ইয়েমেনের আবিয়ান প্রদেশের শাকরা উপকূলে আরব সাগরে প্রচণ্ড ঝোড়ো হাওয়ার কবলে পড়ে নৌকাটি উল্টে যায়। উপকূল থেকে ১২ জনকে জীবিত ও ৬৮ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের বেশির ভাগই ইথিওপিয়ার নাগরিক।

আইওএম ইয়েমেন প্রধান আবদুসাত্তোর এসোয়েভ প্রধান জানান, প্রায় ১৫৭ অভিবাসীকে বহনকারী নৌকাটি বিপজ্জনক একটি রুটে যাত্রা করছিল, যেটি সাধারণত মানব পাচারকারীরা ব্যবহার করে থাকে। আফ্রিকার হর্ন অঞ্চল থেকে উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রগুলোতে কাজের সন্ধানে যাত্রা করা অভিবাসীদের জন্য ইয়েমেন এখনও একটি প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। আইওএমের হিসাব অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে শত শত মানুষ এই রুটে নৌকাডুবিতে নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।

Shamol Bangla Ads

ভবিষ্যতের উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় উত্তর দিকে সৌদি আরবগামী অসংখ্য হতাশাগ্রস্ত অভিবাসীর জন্য ইয়েমেন একটি জনপ্রিয় ট্রানজিট দেশ।
এপি জানায়, দক্ষিণের খানফার জেলায় ৫৪টি মৃতদেহ উপকূলে পাওয়া যায় এবং আরও ১৪টি মৃতদেহ আবিয়ান প্রাদেশিক রাজধানী জিনজিবারের একটি হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়। আবিয়ান নিরাপত্তা অধিদপ্তর জানিয়েছে, ব্যাপক অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হচ্ছে এবং বহু মৃতদেহ উপকূলজুড়ে বিস্তৃত এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

আইওএমের একজন মুখপাত্র বলেন, সংস্থাটি এই মর্মান্তিক প্রাণহানিতে গভীরভাবে শোকাহত। এই হৃদয়বিদারক ঘটনা এমন একটি বাস্তবতা তুলে ধরে, যেখানে অভিবাসীরা চরম ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা করে, যা প্রায়ই কিছু লোভী পাচারকারীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়; যারা হতাশা ও দুর্বলতাকে পুঁজি করে তাদের শিকার করে।

এসোয়েভ বলেন, অভিবাসীদের পাচারকারীদের শিকার হওয়া ঠেকাতে আইনি সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি। মানুষ যেন আইনি পথে অভিবাসন করতে পারে এবং পাচারকারীদের ফাঁদে পড়ে এমন বিপজ্জনক যাত্রায় না নামে, সে জন্য সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি আমরা।
আইওএম আগে আফ্রিকার হর্ন অঞ্চল থেকে ইয়েমেন পর্যন্ত যাত্রাপথকে সবচেয়ে ব্যস্ত ও বিপজ্জনক মিশ্র অভিবাসন রুটগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছিল।

চলতি বছরের মার্চে ইয়েমেনের ধুবাব জেলায় দুটি নৌকা ১৮০ জনের বেশি অভিবাসী নিয়ে সমুদ্রে ডুবে যায়। সে সময় শুধু দুজন নাবিককে উদ্ধার করা হয় এবং বাকি সব যাত্রী নিখোঁজ ও মৃত বলে ধারণা করা হয়।

আইওএমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেনে অভিবাসন সেবাকেন্দ্রে পৌঁছানো অভিবাসীরা জানিয়েছেন, পাচারকারীরা এখন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে খারাপ আবহাওয়ায় নৌকা পাঠাচ্ছে, যাতে তারা নিরাপত্তা বাহিনীর নজর এড়াতে পারে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও অনেক অভিবাসী এখনও এই যাত্রা অব্যাহত রেখেছেন। ২০২৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৬০ হাজারের বেশি অভিবাসী ইয়েমেনে পৌঁছেছেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!