শেরপুরের শ্রীবরদীতে ৬৫ বছরের পুরোনো রাস্তা বন্ধ করায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ দেড়শতাধিক পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। প্রায় ৫ মাস যাবত রাস্তাটি বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাপড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ এলাকার লোকজন। উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদিন রাস্তা বন্ধ থাকায় ২২ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী গ্রামবাসী ও শিক্ষার্থীরা।

এলাকাবাসী জানান, উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খামারপাড়া গ্রামের ছাবর আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও মঞ্জুরুল ইসলাম কনক তাদের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া একটি সরকারি রাস্তা প্রভাব খাটিয়ে বন্ধ করে দেন। খামারপাড়া গ্রামে স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, ঈদগাহ মাঠসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছে গ্রামের লোকজন। রাস্তা বন্ধের ঘটনায় একাধিকবার গ্রাম্য শালিস বেঠক হয়। শালিস বৈঠকে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার কথা বললেও পরে রাস্তাটি খুলে দেননি জাহাঙ্গীর আলম ও মঞ্জুরুল ইসলাম কনক। শালিস বৈঠক না মেনে উল্টো ভুক্তভোগীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জাফরুল হাসান জনি বলেন, জাহাঙ্গীর আলম ও মঞ্জুরুল ইসলাম কনক প্রভাব খাটিয়ে সরকারি রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে চলাচল করতে পারছে না দেড় শতাধিক পরিবারের মানুষ। প্রতিবাদ করায় তারা গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা করেছেন। ওইসময় বক্তব্য রাখেন, ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন,জাফরুল হাসান জনি, ফরহাদুজ্জামান বাবু, জাহাঙ্গীর আলম মিষ্টার, মনিরুজ্জামান, বাবুল মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান, নুর হোসেন, আবদুল্লাহ,এমদাদুল হক, সাবিনা ইয়াসমিন, স্বর্ণা বেগম, শিক্ষার্থী তাসনিয়া জাহান বিভা, ফারিয়া সরকার, জান্নাতুল মাওয়া ও ওমর সানী প্রমুখ।

এ বিষয়ে জানতে জাহাঙ্গীর আলম ও মঞ্জুরুল ইসলাম কনকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। কাকিলাকুড়া ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুল্লাহ তালুকদার বলেন, রাস্তাটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ন। রাস্তার কাজ করতে গেলে একটি পক্ষ বাধা প্রদান করে। এতে গ্রামবাসী ভোগান্তিতে পড়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহমেদ বলেন, রাস্তা বন্ধের বিষয়ে আমাকে কেউ অবহিত করেননি। তবে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।




