ads

বৃহস্পতিবার , ১৯ জুন ২০২৫ | ২০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

তাণ্ডব’ সিনেমা পাইরেসিতে ৩ জন গ্রেফতার, তদন্তে নেমেছে ডিবি

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুন ১৯, ২০২৫ ১২:৪৪ অপরাহ্ণ

শাকিব খান ও সাবিলা নূর অভিনীত ঈদের আলোচিত সিনেমা ‘তাণ্ডব’-এর পাইরেসির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, রায়হান রাফী পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তির পর থেকেই দেশজুড়ে দর্শকের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শতাধিক প্রেক্ষাগৃহে একযোগে প্রদর্শিত এই ছবিকে ঘিরে মাল্টিপ্লেক্সগুলোতে এখনো দর্শকের ভিড় লেগে আছে। এরই মধ্যে ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সিনেমাটির সম্পূর্ণ এইচডি কপি ছড়িয়ে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরপরই কপিরাইট আইনে বনানী থানায় মামলা করেন সিনেমার অন্যতম প্রযোজক শাহরিয়ার করিম ভূঁইয়া (শাহরিয়ার শাকিল)। মামলার পর তদন্তে নামে পুলিশ এবং সন্দেহভাজন ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। ১৯ জুন বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টায় সংবাদমাধ্যমকে ওই তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার নাসিরুল ইসলাম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন টিপু সুলতান (৩৫), নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার জিরতলী ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা। সাদি সাদ, ময়মনসিংহ জেলা থেকে গ্রেফতার এবং সাভার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সাজেদুল ইসলামকে।

Shamol Bangla Ads

ডিবি সূত্রে জানা যায়, মূলত টিপু সুলতান ছিলেন এই পাইরেসি চক্রের অন্যতম হোতা। তিনি বেআইনিভাবে ‘তাণ্ডব’ সিনেমার এইচডি কপি সংগ্রহ করে তা অনলাইনে ছড়িয়ে দেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নোয়াখালীর মাইজদী শহরের মোহাম্মদিয়া হোটেলসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা ডিবি।

নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, “টিপু সুলতান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাইরেসির দায় স্বীকার করেছে। বর্তমানে তাকে ঢাকায় পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। বনানী থানায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে ডিবি আরও জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া সাদি সাদ ও সাজেদুল ইসলামের সঙ্গে কিছু প্রেক্ষাগৃহের যোগাযোগ ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। কিভাবে সিনেমার এইচডি কপি বাইরে ছড়িয়ে পড়ল, কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা খুঁজে বের করতেই তদন্ত চলছে।

সিনেমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনার পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে, যার শিকড় দেশের কিছু হলে গিয়েও ছড়িয়ে থাকতে পারে।

Need Ads
error: কপি হবে না!