‘আমরা শিল্পী হই আর যে হই আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্ব নই। সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার থাকে না। আমাদের শিল্পীদের নামে যদি মামলা হয় তাহলে সেটা সত্য না মিথ্যা—এটা প্রমাণ করবেন আদালত। তিনি যদি নিরপরাধী হন তাহলে সে পর্যন্ত তো আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। তবে একজন শিল্পীর ক্ষেত্রে আমরা আইনি সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করে থাকি’— নুসরাত ফারিয়া প্রসঙ্গে এমনটাই বলছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চিত্রনায়ক জয় চৌধুরী। ১৮ মে রবিবার বিকেলে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির মুখপাত্র জয় গণমাধ্যমকে বলেন, দেখেন, এটি সম্পূর্ণ আইন-আদালতের বিষয়। তার পরও আমরা নিজেরাও এসব অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিই। যদি মনে হয় যে তিনি অপরাধী নন, তাহলে আমরা তার পক্ষে আইনিভাবে আগানোর চেষ্টা করি।

জায়েদ খানের প্রসঙ্গ এনে চিত্রনায়ক জয় চৌধুরী বলেন, আপনি দেখেন জায়েদ খান চলচ্চিত্র সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু তাকে মামলায় আটকে দেওয়া হলো। আমরা রায় দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেছি। রায় আমাদের পক্ষে এসেছে, কিন্তু আবার সেটা আটকে দেওয়া হয়েছে। তাই আমরা নুসরাত ফারিয়ার ক্ষেত্রেও অপেক্ষা করব।
জানা যায়, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া আটক হয়েছেন। তিনি থাইল্যান্ড যাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। এই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা রয়েছে।

মামলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগের অর্থের জোগানদাতা হিসেবে আসামি করা হয়েছে।
রবিবার বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে থাইল্যান্ড যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। পরে ভাটারা থানার পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হলে, সেখান থেকে তাকে মিন্টো রোডের ডিবিতে নেওয়া হয়।




