ads

বুধবার , ১২ মার্চ ২০২৫ | ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা

স্টাফ রিপোর্টার
মার্চ ১২, ২০২৫ ১:৫৫ অপরাহ্ণ

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসনে করণীয় শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১১ মার্চ মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার রাংটিয়া রেঞ্জের বনরাণী ফরেস্ট রিসোর্টে আয়োজিত ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাইফুর রহমান।

Shamol Bangla Ads

ময়মনসিংহ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আ.ন. ম. মো. আব্দুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকার বন অধিদফতরের বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক মো. ছানাউল্লাহ পাটোওয়ারী, অবসরপ্রাপ্ত বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ মো. মদিনুল আহসান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ, আরণ্যক ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম অফিসার ড. মোহাম্মদ আব্দুল মোতালেব, ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম রাসেল প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, ভারত সীমান্তঘেঁষা শেরপুর সীমান্তে মানুষের সঙ্গে বন্যহাতির দ্বন্দ্ব দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। বনাঞ্চল উজাড়, বসতির সম্প্রসারণ ও খাদ্যের অভাবে হাতির দল লোকালয়ে নেমে আসছে, নষ্ট করছে ফসল ও বাড়িঘর। ক্ষুব্ধ কৃষকরা নিজেদের সম্পদ রক্ষায় ফাঁদ হিসেবে বিদ্যুতের জিআই তার ব্যবহার করছেন, যার ফলে একের পর এক হাতি মারা পড়ছে। আবার ক্ষিপ্ত হাতির আক্রমণে প্রাণ হারাচ্ছেন এলাকাবাসী। এবার হাতি মানুষের এই চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনে ১০২ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকাজুড়ে সোলার ফেন্সিং প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছে বন বিভাগ। এর আওতায় পূর্বে স্থাপিত ১৩ কিলোমিটার সোলার ফেন্সিংয়ের রক্ষণাবেক্ষণ ও নতুন করে ৮৯ কিলোমিটার এলাকা সোলার ফেন্সিংয়ের আওতায় আনা হবে।

Shamol Bangla Ads

সভায় আরও জানানো হয়, বন্যহাতির আক্রমণ থেকে বাঁচতে চলতি বছর সচেতনতা কার্যক্রম বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর আওতায় বন্যহাতির জন্য নিরাপদ অভয়াশ্রম নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সাথে সোলার ফেন্সিং প্রকল্পের মাধ্যমে এই দ্বন্দ্ব নিরসনে স্থায়ী সমাধান নেয়া হচ্ছে। স্থানীয় জনগণ ও এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি) সদস্যদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। যেন একটি হাতিও না মরে আবার কোনও মানুষেরও যেন ক্ষতি না হয়।

তারা বলেন, বাংলাদেশসহ পৃথিবীতে ১৩টি রাষ্ট্রে হাতি রয়েছে। এটা আমাদের গৌরবের বিষয়। হাতি ও মানুষের যেন কোনও ক্ষতি না হয়, সেদিকে গভীরভাবে দৃষ্টি দিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা। এ জন্য তিনি স্থানীয় জনগণ ও এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি) সদস্যদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেজন্য যা যা করার দরকার, সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!