শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সবুরের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ইউপি সদস্যরা। ২৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঘবেড় ইউনিয়ন পরিষদে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বাঘবেড় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নূরে আলমের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য শেফালী খাতুন। ওইসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য সোলায়নান, আলম মিয়া, লোকমান হোসেন, আবুল হাশেম ও হামিদুল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের জ্যোষ্ঠ সহ-সভাপতি আব্দুস সবুর চলতি অর্থবছরে অসহায় ও দরিদ্রদের বাদ দিয়ে অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে ১হাজার ৬৪৯ টি কার্ডের মধ্যে নিজেই ১ হাজার ৪৯ টি কার্ড বিতরন করেছেন। বাকী কার্ড গুলো ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে বিতরন করলেও কার্ড অনলাইন করার সময় সেই নামগুলো না রেখে নিজের পছন্দমতো করে নাম বসিয়েছেন। সরকারি নিয়ম না মেনে অর্থের বিনিময়ে একই পরিবারে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবমারসেবল (নলকূপ) বিতরণ করা হয়। এছাড়াও অর্থ নিয়ে খোলা মাঠে সেচ পাম্পের অনুমতিও দেন এই চেয়ারম্যান।

তিনি আরও বলেন, চেয়ারম্যান কর্মসৃজন প্রকল্পে দরিদ্রদের বাদ দিয়ে নিজের আত্বীয়-স্বজনের নাম শ্রমিক হিসেবে দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এছাড়াও বাঘবেড় বাজারে খাসজমি কাবিটা ও টিআর এর টাকায় ভরাট করেও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগসহ টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে ল্যাট্রিন বিতরণেরও অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বাঘবেড় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি সরকারি নিয়ম মেনেই সকল কাজ করেছি।




