ads

রবিবার , ১৩ অক্টোবর ২০২৪ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বাড়ি বাড়ি ঘুরে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন ঝিনাইগাতীর ইউএনও

খোরশেদ আলম, ঝিনাইগাতী
অক্টোবর ১৩, ২০২৪ ২:১০ অপরাহ্ণ

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রতাবনগর এলাকার বাসিন্দা সত্তরোর্ধ্ব জামাল উদ্দিন। পেশায় কৃষক। বয়সের ভারে হাঁটতে পারেন না তিনি। গত বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতের ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার প্রবল স্রোতে তার বসত ঘরটি ভেঙে যায়। ফলে তার বসতঘরের সকল আসবাবপত্র ও পরিধানের কাপড়চোপড় নষ্ট হয়ে যায়। এমন অবস্থায় তার প্রতিবেশীর একটি রান্নাঘরে খুবই কষ্টে বসবাস করছেন। এমন সংবাদ পেয়ে ১২ অক্টোবর শনিবার দুপুরে ওই কৃষকের বাড়িতে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেল। জামাল উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে তার খোঁজ-খবর নেন এবং সরকারি ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন তার হাতে।

Shamol Bangla Ads

শুধু জামাল নয়, গত চার দিনে জামালের মতো আনোয়ারা, আসমত, আজগর আলীসহ প্রায় তিন শতাধিক মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি পরিদর্শন করেছেন ও তাদের হাতে তুলে দিয়েছেন ত্রাণসামগ্রী। এবারের বন্যায় অন্তত ৫ হাজার পরিবার পেয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের খাদ্যসহায়তা।

রামেরকুড়া গ্রামের হারেজ মিয়া বলেন, ২০২১ সালের বন্যায় আমার একটি বসত ঘর ভেগে গিয়েছিল। কিন্তু এবারের বন্যায় আমার এবং আমার দুই সন্তানের তিনটি বসত ঘর, গোয়াল ঘর, রান্না ঘর নদীর প্রবল স্রোতে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। বসতভিটা গেলে বুকটা ফেটে যায়। আমার আর কিছুই নেই। ইউএনও স্যার নিজে আমার বাড়িতে এসে আমাকে চাল, ডাল, তেল, আলু, পেঁয়াজ, হলুদ-মরিচের গুঁড়ো প্যাকেটসহ নৃত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তিন পরিবারের জন্য তিনটি প্যাকেট দিয়েছেন।

Shamol Bangla Ads

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, ‘আকস্মিক এই বন্যার পর থেকে বন্যার্তদের আমরা সহযোগিতা করছি এবং সহযোগিতা অব্যাহত রাখছি। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে জানতে পেওে দ্রুত ওই পরিবারের কাছে ছুটে যাই। ত্রাণসামগ্রী তুলে দিই। সরকারি-বেসরকারি, সামাজিক, রাজনৈতিক দল, স্বেচ্ছোসেবী সংগঠনসহ আমরা সবাই সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি, একটা পরিবারও যেন এই বন্যায় অভুক্ত না থাকে।’

তিনি আরও বলেন, বন্যার্ত ব্যক্তিদের সহযোগিতা করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, স্বেচ্ছাসেবক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল কাজ করেছেন। এখনও তাদের কাজ অব্যাহত আছে। যাদের ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে টিন চেয়ে পত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Need Ads
error: কপি হবে না!