সংসদ উপনেতা ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, পৃথিবীটা হলো প্রতিযোগিতার জায়গা এখানে যে চেস্টা করবে সেই আগাবে। সরকারি বরাদ্দ নয়ছয় করার অধিকার আমার নেই। তাই আজকের উপহার সবাই পাবে না। আমি শুধু টপটেন থেকে এখন টপ টুয়েন্টি পর্যন্ত দিচ্ছি । যারা পাওনি তারা প্রচেস্টা করো ফলাফল ভালো করলে তারাও পাবে। ২৪ জুন শনিবার দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর মাঝে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্প থেকে উদ্দীপনামূলক আর্থিক প্রণোদনা প্রদান কালে গাছগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তিনি এসব কথা বলেন ।

তিনি আরও বলেন,করোনার সময় সবকিছু যখন স্থবির তখন আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা স্কুল কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীদের বিকাশে টাকা পাঠিয়েছে, ইউনিয়নগুলোতে টাকা পাঠিয়েছে। ফলে চাঙ্গা থাকে সবাই। গ্রামীণ অর্থনীতিতে এর প্রভাব আমরা পড়তে দেইনি। আমরা মানুষের পাশেই ছিলাম। তাই বাংলাদেশকে করোনা লন্ডভন্ড করতে পারেনি।
ওইসময় মতিয়া চৌধুরীর সাথে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খৃষ্টফার হিমেল রিছিল, নালিতাবাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রায়হানা ইয়াসমিন, পৌর মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম মোস্তফা কামাল, সাধারণ সম্পাদক ওয়াজ কুরুণীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি শনিবার দিনব্যাপী উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৩৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয়(টপ ২০), চতুর্থ(টপ ৫) ও পঞ্চম শ্রেণির (টপ ১২) ৫ হাজার ৪৭৬ জন শিক্ষার্থী, ৫০ টি মাধ্যমিক ও মাদ্রাসার ষষ্ঠ (টপ ২০), সপ্তম (টপ ২০) ও অষ্টম শ্রেণির (টপ ১০) ৩ হাজার ২০০ জন শিক্ষার্থী, এবং ২০ টি মাধ্যমিক ও মাদ্রাসার নবম শ্রেণীর (টপ ২০) ১ হাজার ৮০ জন শিক্ষার্থীসহ উপজেলার ৯ হাজার ৭৫৬ জন শিক্ষার্থীকে ১ হাজার টাকা করে মোট ৯৭ লাখ ৫৬ হাজার টাকার উদ্দীপনামূলক আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করেন।




