বর্তমান সরকার চামড়া শিল্পের প্রসার ও তার দাম বাড়াতে কাজ করছে এবং ইতোমধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ। তিনি ১৪ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে শেরপুর শহরের তিনআনী বাজার এলাকায় চামড়া ক্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওই কথা বলেন। তিনি বলেন, পরিবেশগত কিছু অসুবিধার কারণে আমরা বিদেশী বিভিন্ন সংস্থার সনদপত্র পাইনি। সেটি পাওয়ার চেষ্টা করছে সরকার, পেলে চামড়ার দাম অবশ্যই বেড়ে যাবে।

বাণিজ্য সচিব আরও বলেন, আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে হেমায়েতপুরে ট্যানারি শিল্প পরিবেশ সম্মতভাবে পরিচালিত হবে। তখন দাম অনেক বেড়ে যাবে। চামড়া শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য ঈদুল আযহা উপলক্ষে চামড়ার দাম বাড়ানো হয়েছে মন্তব্য করে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, এ বছর ব্যবস্থাপনা আগের বছরের চেয়ে অনেক ভাল ছিল। সব মিডিয়াতে এ খবর এসেছে। তবে যারা দাম ভালো পায়নি বলে দাবী করেছেন তাদের চামড়ায় মাংস ছিল। যে কারণে তা পরিস্কারের জন্য বাড়তি খরচ করতে হয়েছে ।
পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুকতাদিরুল আহমেদ, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আসাদুজ্জামান রওশনসহ চামড়া ব্যবসায়ী ও চেম্বার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এবার জেলায় একেকটি গরুর চামড়া ৭০০-৮০০ টাকা দরে প্রায় ২৫ হাজার কাঁচা চামড়া ক্রয় করা হয়েছে বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান। ওইসব চামড়া এখন লবনজাত করা হচ্ছে বলেও তারা জানায়। মাসখানেক পরে চামড়াগুলো ঢাকায় ট্যানারিতে বিক্রির জন্য পাঠানো হবে।
এদিকে দুপুরে বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) নাকুগাঁও স্থলবন্দরের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আমদানী রফতানীকারক ব্যবসায়ীদের সাথে বন্দর সভাকক্ষে শেরপুরের জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বাণিজ্য সচিব নাকুগাঁও স্থলবন্দরের নানা সমস্যা সমাধানে স্থানীয় ব্যবসায়ী, বেসরকারী উদ্যোক্তা ও সিএন্ডএফ এজন্টেদের এগিয়ে আসার আহবান জানান। সেই সাথে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত সম্পর্কসহ বৈদেশিক বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। এজন্য সরকার সীমান্ত পথে দু-দেশের আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্য আরও সহজীকরণে কাজ করছে।




