ads

সোমবার , ৩০ মে ২০২২ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে বেড়েছে আটা-ময়দার দাম : চিন্তিত ক্রেতাসাধারণ

জুবাইদুল ইসলাম - ফটো কার্ড
মে ৩০, ২০২২ ১:২৩ অপরাহ্ণ

শেরপুরে ২ মাসের ব্যবধানে আটা ও ময়দার দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। আটা-ময়দার মূল্য বৃদ্ধির কারণে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন ক্রেতা সাধারণ। তবে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিভাগ বলছে, দাম বাড়লেও বাজারে এখনও পর্যাপ্ত মজুত থাকায় বড় ধরনের সংকটের সম্ভাবনা নেই। কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি না করতে পারে সেজন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।

Shamol Bangla Ads

জানা গেছে, বিশ্বের বৃহৎ গম উৎপাদনকারী দেশ ইউক্রেন ও রাশিয়ায় যুদ্ধের কারণে সারাদেশে আটা-ময়দার দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে শেরপুরেও। গত দুই মাসের ব্যবধানে বস্তাপ্রতি ময়দার দাম বেেেড়ছে প্রায় দেড়গুণ। আটার দামও একই অবস্থা। শুক্রবার দুপুরে শেরপুর শহরের বিভিন্ন খুচরা ও পাইকারি দোকান ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি বস্তা ময়দা (প্রতি বস্তায় ৭৪ কেজি) বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ২শ টাকায়। গত দু’মাস আগেও যেটি ছিল ২ হাজার ৭শ টাকা করে। এর ফলে প্রতি কেজিতে আটা-ময়দার দাম বেড়ে গেছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। খুচরা বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায় এবং ময়দা বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা দরে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারী বাজারে দাম বাড়ায় তারা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। শহরের নয়ানী বাজারের একাধিক পাইকারি ও খুচরা দোকানিরা জানান, তারা ঢাকা থেকেই বেশি দামে আটা-ময়দা কিনে এনে সেই হিসাবেই বিক্রি করছেন। বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে না।

শহরের গৌরীপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল কুদ্দুস জানান, প্রতিনিয়তই আটা ময়দার দাম বাড়ছে। এভাবে একটার পর একটা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লে আমরা যাব কোথায়? সজবরখিলা এলাকার মো. আখতারুজ্জামান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমনিতেই বাজারের বেশিরভাগ ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়তি। এখন আবার আবার আটা ময়দার দাম বাড়ছে। এটা যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা।

Shamol Bangla Ads

এদিকে সয়াবিন তেলের পাশাপাশি এখন ময়দার দামও বেড়ে যাওয়ায় শহরের বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় রুটির আকারও কিছুটা ছোট হয়ে গেছে। তবে হোটেল রেস্তোরাঁ মালিকরা বলছেন, সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের কিছু করার নেই। শহরের নিউমার্কেট এলাকার অনুরাধা মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী বাপ্পী দে জানান, দুই/তিন মাস আগেও যে ময়দার বস্তা ২৬০০/২৭০০ দরে কিনতাম, সেটি এখন ৪ হাজার টাকা করে হয়ে গেছে। সয়াবিন তেলের দাম তো বাড়তিই। বাজারে সবকিছুই উর্ধ্বগতি। এ সবকিছুর প্রভাব পড়ছে আমাদের ব্যবসাতেও। খোয়ারপাড় শাপলাচত্বর মোড় এলাকার হোটেল আবির-নিবিরের স্বত্বাধিকারী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, যেভাবে আটা-ময়দার দাম বাড়ছে, তাতে করে রুটি বিক্রি কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিভাগের সহকারী পরিচালক রুবেল আহমেদ জানান, আটা-ময়দার দাম বৃদ্ধি হলেও শহরের কোনো ব্যবসায়ী যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারেন, সে জন্য নিয়মিত শহরের বিভিন্ন দোকানে মনিটরিং করা হচ্ছে। এছাড়া প্যাকেটের আটা ময়দা যে ন নির্দিষ্ট দামের বাইরে কেউ বিক্রি না করেন সেজন্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads