শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি বলেছেন, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও’র কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে, শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। তিনি রবিবার সকালে শেরপুর শহর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের আগে সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ওই কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী ২০২৩ সালের নতুন শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে বলেন, নতুন শিক্ষা কারিকুলাম চালু হলে, শিক্ষা ব্যবস্থার কোন ক্ষতি হবে না। সব উন্নত দেশেই এ পদ্ধতি চালু রয়েছে। এ ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীরা আনন্দের মধ্য দিয়ে পড়াশোনা করবে ও শিখবে। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন পুরোদমে চলছে। আশা করি এখন থেকে এভাবেই খোলা রেখে চলতে পারবে। আমাদের আর বন্ধ রাখতে হবে না। গত দুই বছরে শিক্ষার্থীদের যে ক্ষতি হয়েছে, আমরা তা পুষিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে এজন্য তিনি সবাইকে সচেতন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।
দীপু মনি আগামী জাতীয় নির্বাচন সম্পর্কে বলেন, আওয়ামী লীগ একটি গণতান্ত্রিক দল। আমাদের যে ৭২/৭৩ বছরের ইতিহাস, সেই ইতিহাস বলে, আমরা সবসময় নির্বাচনমুখী দল। আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন করা ছাড়া ক্ষমতায় আসিনি। আগামীতেও সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ। তিনি আরও বলেন, জনগণ আওয়ামী লীগের পক্ষেই রয়েছে। কাজেই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৮ বছর যেভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়া হয়েছে, আগামী নির্বাচনেও এদেশের মানুষ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকার পক্ষেই রায় দেবেন।

ওইসময় সার্কিট হাউজে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আতিউর রহমান আতিক এমপি, দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এমপি, সদস্য মারুফা আক্তার পপি ও উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং, শেরপুরের জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদ, পুলিশ সুপার মো. হাসান নাহিদ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল পিপি, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট আবুল কাশেম জিপি, সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্তসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী শহরের চকবাজারস্থ শহীদ মিনার এলাকায় শহর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে অংশ নেন।




