ads

মঙ্গলবার , ১৯ এপ্রিল ২০২২ | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে গরম বাতাসে বোরো আবাদের ক্ষতি

স্টাফ রিপোর্টার - ফটো কার্ড
এপ্রিল ১৯, ২০২২ ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ

শেরপুরে হঠাৎ বয়ে যাওয়া গরম বাতাসে চলতি বোরো আবাদের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। ওই গরম বাতাসের কারণে ১৬ এপ্রিল শনিবার রাতে সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের পাকুড়িয়া ও শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নে প্রায় ১শ একর বোরো ধানের ক্ষেত চিটা হয়ে গেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে ওই তিন ইউনিয়নের অন্তত শতাধিক কৃষকের সোনালী স্বপ্ন পুড়ে গেছে।

Shamol Bangla Ads

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গরম বাতাস বয়ে যাওয়ার কারণে বিস্তীর্ণ সবুজ ধান ক্ষেত এখন মরা ক্ষেতে পরিণত হয়েছে। গাছের পাতা শুকিয়ে গেছে, ধানগুলো হয়েছে চিটা। এছাড়া আশাপাশের বাঁশঝাড়, মেহগনি বাগানসহ বিভিন্ন ফলদ ও বনজ গাছ বিবর্ণ হয়ে গেছে। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, সহায়-সম্বল খরচ করে রাত-দিন পরিশ্রম করে বোরো আবাদ করে ফসল ঘরে তোলার স্বপ্ন দেখেছিল এখানকার কৃষকরা। কিন্তু মুহূর্তেই সেই সোনালী স্বপ্ন পুঁড়ে যায়। ধান ক্ষেতের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া গরম বাতাসের কারণে ক্ষেতের ধানসব নষ্ট হয়ে গেছে। পাশাপাশি সবুজ পাতা হয়ে যায় অনেকটাই বাদামি হলুদ।

Shamol Bangla Ads

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মনসুর আলী, কালাম মিয়া ও আক্কাস আলী জানান, আমাদের সব শেষ। ঋণ করে ধানগুলো লাগিয়েছিলাম, ধানও ভালো হয়েছিল। কিন্তু একদিনের ব্যবধানে সব ধানগুলো চিটা হয়ে গেছে। ধানের চারাগুলো মরা হয়ে গেছে। কৃষক আমজাদ বলেন, মেলা কষ্ট কইরা ধান লাগাইছিলাম, ধানও ভালা হইছে, কিন্তু এহনতো সব ধান চিটা হয়ে গেছে। আমি যে ঋণ করছি, এহন টেহা কই থেকে দিমু। কৃষক ওয়াহাব বলেন, ভাই আমরাতো গরীব মানুষ, দিন আনি দিন খাই। কত কষ্ট কইরি যে আবাদখানি করছিলাম কবার পামু না, আশা আছিল ধান বেইচি মানষের টেহা দিমু, এহন কন কতটা বিপদে আছি।

সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়ন ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার মো. লুৎফর রহমান বলেন, আমি ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের মাঠ পরিদর্শন করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, গরম বাতাসের কারণে ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তবে, এটা আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করলে বুঝা যাবে আসল ঘটনা।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক ড. মোহিত কুমার দে বলেন, আমি সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। আমার কাছে দেখে মনে হচ্ছে, গরম বাতাসের কারণে ধানগুলো চিটা হয়ে গেছে, আর চারাগুলো মরার উপক্রম হয়েছে। কিন্তু কেন হয়েছে তা গবেষকরা বলতে পারবে। তবে আমরা আপাতত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি, তারা যেনো জমিতে সেচ দিয়ে কিছুদিন অপেক্ষা করে। তাতে ফসলের উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।

Need Ads