শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বৈধ সম্পত্তি দখলের নানা পায়তাঁরার অভিযোগ উঠেছে মো. আব্দুল বাতেন নামে বিচার বিভাগের এক সরকারি গাড়িচালকের বিরুদ্ধে। ১৭ এপ্রিল রবিবার বিকেলে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের হলদিগ্রাম এলাকায় সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী এক পরিবার। আব্দুল বাতেন শেরপুর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির একজন গাড়িচালক।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মো. শামসুদ্দিন খোকন। তিনি বলেন, আমরা ৮ ভাই-বোন বিগত ৬০ বছর ধরে পৈত্রিক সূত্রে আমাদের বৈধ ১৬ একর জমিতে বসবাস করে আসছি। কিন্তু মো. আব্দুল বাতেন প্রভাব খাটিয়ে এই সম্পত্তি দখল করার জন্য নানা পায়তাঁরা করছেন। তিনি ভুয়া দলিল করে এই জমি বেদখলের পায়তারা করছে। তার ভয়ে এলাকার সবাই মুখ বন্ধ করে থাকে। আমরা এর প্রতিকার চাই। ইতিপূর্বে তিনি এলাকার অনেক মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে জেলা খাটিয়েছেন। তিনি সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদ প্রকাশে সহায়তা করেছেন। তার অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ।
সংবাদ সম্মেলনে ওই মিথ্যাচার ও জমি দখলের পায়তাঁরার সুষ্ঠু তদন্ত ও বাতেনের বিচার দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, মোছা. সখিনা খাতুন, মো. আক্তার আলী, মো. নুর ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তবে অভিযোগের বিষয়ে বিচারকের গাড়িচালক মো. আব্দুল বাতেন বলেন, তারা আমার বিরুদ্ধে তারা মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। আমি কোন ভুয়া দলিল সম্পাদন করিনি। আমি যে জমিগুলো ভোগ দখল করছি, তার বৈধ কাগজের আলোকেই করছি। তাছাড়া তারা যে জমির উপর সংবাদ সম্মেলন করেছেন, সেটি আমার দাবিকৃত জমি নয়, সেটি বাংলাদেশ সরকারের। আর সেটি সরকারের পক্ষে স্থানীয় প্রশাসন পরিমাপ করে লাল নিশান লাগানোর পরেই তারা আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এছাড়া আটটি দাগের উপর আদালতে মামলা চলমান আছে। এলাকার কিছু লোক আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন।




