ads

সোমবার , ২৮ মার্চ ২০২২ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আকাশে মেঘ জমলেই ঝিনাইগাতীর কান্দুলি আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের ঘুম হারাম

খোরশেদ আলম, ঝিনাইগাতী
মার্চ ২৮, ২০২২ ৩:৫২ অপরাহ্ণ

আকাশে মেঘ জমলেই শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কান্দুলি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের ঘুম হারাম হয়ে যায়। আর বৃষ্টি হলে তো কথাই নেই, জেগেই কাটাতে হয় সারারাত। ভাঙা টিনের চালের কারণে রোদ-বৃষ্টিতে দুর্ভোগে জীবনযাপন করছেন এ আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা। দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত আশ্রয়ণের ঘরগুলোর সংস্কার চান তারা।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, ১৯৯৯ সালে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের কান্দুলি গ্রামে এ আশ্রয়ণ প্রকল্পটি গড়ে তোলা হয়। সেনাবাহিনীর ২৭ এসটি ইউনিট ব্যাটালিয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। কুঞ্জবিলাস নামে এ আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৬টি ব্যারাকে ৬০ জন গৃহহীন ছিন্নমূল ও ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। বর্তমানে এ কুঞ্জবিলাসে নারী-পুরুষ ও শিশু-কিশোরসহ প্রায় ২শ লোকের বসবাস। এখানে বসবাসকারীরা প্রায় সবাই হতদরিদ্র দিনমজুর। অভাব-অনটন দুঃখ আর দুর্দশাই এ আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের নিত্যসঙ্গী।

আশ্রয়ণের ঘর হস্তান্তরের পর থেকে গত ২৩ বছরেও ঘরগুলোর আর সংস্কার করা হয়নি। দরিদ্র পরিবারগুলোর পক্ষেও ব্যক্তিগত উদ্যোগে সেগুলো সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। ফলে ঘরগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আশ্রয়ণে ৬ টি পানির নলকূপ দেয়া হয়েছিল। সময়ের ব্যবধানে তা অকেজো হয়ে পড়েছে। নিচু স্থানে ঘর নির্মাণ করায় সামান্য বৃষ্টি হলে ও বর্ষাকালে ঘরগুলোতে থাকে হাটু পানি। ওইসময় আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

Shamol Bangla Ads

আশ্রয়ণের সাধারণ সম্পাদক মো. দুদু মিয়াসহ অন্যান্য বাসিন্দারা আক্ষেপের সুরে বলেন,অ াকাশে মেঘ জমলেই তাদের ঘুম হারাম হয়ে যায়। শুধু তাই নয় রাতে বৃষ্টিতে ভিজে ছেলে-মেয়ে নিয়ে দুর্ভোগের সীমা থাকে না।

ধানশাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বলেন, বহু আগে থেকেই ঘরগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পরেছে। তিনি ঘরগুলো সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আল মাসুদ বলেন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ঘরগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

Need Ads
error: কপি হবে না!