কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। তাই কৃষক-কৃষাণীরা আনন্দ নিয়ে পাটের আঁশ ছাড়াতে ব্যাস্ত সময় পাড় করছেন। দেখলে মনে হবে যেন দম ফেলার সময় নেই তাদের।

স্থানীয় কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন গ্রাম ও ব্রহ্মপুত্রের চরা লের সমতল ও অসমতল জমিতে এ বছর পাটের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ হাজার ১৫০ হেক্টর কিন্তু আবাদ হয়েছে অনেক বেশি।
কৃষকেরা জানান, চলতি মওসুমে অনুকুল আবহাওয়া, সার ,বীজ ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থাকার কারণে পাটের আবাদ ও ফলন দুটোই খুব ভালো হয়েছে।তবে অতিমারির কারনে সময়মত শ্রমিক না পাওয়ায় পাটের আশঁ সংগ্রহে খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, উপজেলার চরকাটিহারী,চরহাজিপুর, সাহেবের চর, চরবিশ্বনাথপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে নারী পুরুষের পাশাপাশি ছোট ছেলেমেয়েরাও পাট থেকে সোনালী আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত রয়েছেন।

এ সময় উপজেলার চরকাটিহারী গ্রামের পাট চাষী সাইফুল ইসলাম, সিদলা ইউনিয়নের সাহেবের চর গ্রামের পাট চাষী মফিজ উদ্দিনসহ অনেকের সাথে কথা হলে তারা জানান, অন্যান্য কৃষি ফসলের তুলনায় পাটের আবাদে খরচ কম বিধায় এ বছর অধিক জমিতে পাটের আবাদ করেছি। তবে শ্রমিক সংকটে কিছুটা বিপাকে পড়েছেন তারা। এ জন্য বাড়ির মহিলারাও পাটের আশঁ ছাড়ানোতে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরুল কয়েস জানান, কৃীষ বিভাগের তদারকিতে এ বছর অনুকুল আবাহাওয়ায় উপজেলার সবত্রই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পাটের আবাদ ও ফলন হয়েছে। তবে পাটের দাম সন্তোষজনক পেলে কৃষকেরা লাভবান হবেন বরে মন্তব্য করেন তিনি।




