বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে যুক্তরাষ্ট্র কতটা গুরুত্ব দেয়, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ দূত জন কেরির এই সফর তা তুলে ধরেছে।’
তিনি বলেন, নভেম্বরে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (ইউএনএফসিসিসি) ২৬তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (কপ২৬) অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে, এই সফরের অংশ হিসেবে আবুধাবি ও নয়াদিল্লিতেও যাত্রা বিরতি করবেন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত কেরি।

শুক্রবার ঢাকায় জলবায়ু অর্থায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে একটি গোলটেবিলে অংশ নেন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বিশেষ দূত কেরি। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল মিলারের সরকারি বাসভবনে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়। আলোচনা শেষে গণমাধ্যমে মার্কিন দূতাবাসের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২২-২৩ এপ্রিল, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের লিডার্স সামিট অন ক্লাইমেটের প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই কেরির এই সফর, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর নেতৃত্বে বাংলাদেশের অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বীকৃতি পাবেন। ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম ও ভালনারেবল টোয়েন্টি গ্রুপ অব ফাইন্যান্স মিনিস্টার্সের চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জলবায়ু ঝুঁকির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো ও সহনশীলতা অর্জনের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার চার ঘণ্টার সফরে ঢাকায় আসেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু-সংক্রান্ত বিশেষ দূত জন কেরি। সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং তার স্ত্রী সেলিনা মোমেন। সংক্ষিপ্ত সফরে জন কেরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক এবং যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন।




