ads

সোমবার , ২২ জুলাই ২০১৯ | ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে অন্তঃসত্ত্বাকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের মামলায় ৫ আসামির রিমাণ্ড শুনানী ২৯ জুলাই

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ২২, ২০১৯ ৮:০১ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরের নকলায় ডলি খানম (২২) নামে অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের চাঞ্চল্যকর মামলায় হাজতে যাওয়া ৫ আসামির রিমাণ্ডের বিষয়ে শুনানীর জন্য ২৯ জুলাই সোমবার তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। মামলার তদন্ত কর্মকর্তার ৫ দিনের পুলিশ রিমাণ্ডের আবেদনের প্রেক্ষিতে ২২ জুলাই সোমবার ওই শুনানীর তারিখ ধার্য করেন নকলা জি,আর আমলী আদালতের দায়িত্বে থাকা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নাহিদ সুলতানা। রিমাণ্ড চাওয়া আসামিরা হচ্ছে নির্যাতিতা গৃহবধূর ভাসুর আবু সালেহ (৫২), সলিমুল্লাহ (৪৪), জা লাখী আক্তার (৩৪), আত্মীয় তোফাজ্জল হোসেন (৫৫) ও তার ছেলে ইসমাইল হোসেন (২০)। রিমাণ্ড চাওয়া ও শুনানীর তারিখ ধার্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোট সাব-ইন্সপেক্টর আনিছুর রহমান।
জানা যায়, ১৬ জুলাই হাইকোর্টের ৩ সপ্তাহের অন্তবর্তীকালীন জামিনের মেয়াদ শেষে ওই ৫ আসামি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে উভয় পক্ষের শুনানী শেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দাস তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে হাইকোর্টের একই আদেশে অর্ন্তবর্তীকালীন জামিনে থাকা অপর আসামি নির্যাতিতা গৃহবধূর ভাসুর সেনাসদস্য নেছার উদ্দিন (৪৮) সেদিন আদালতে হাজির হননি। অন্যদিকে ওই মামলায় নাসিমা আক্তার নামে আরও এক নারী আসামি মামলার পরপরই গ্রেফতার হয়ে হাজতবাসে থাকলেও এখনও পলাতক রয়েছেন পৌর কাউন্সিলর রূপালী বেগম ও তার স্বামী আমিরুল ইসলাম। এদিকে জেলা সদর হাসপাতাল থেকে নির্যাতিতা ওই গৃহবধূর অকাল গর্ভপাতের বিষয়ে চিকিৎসা সনদ প্রদানে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বেশ আগেই।
মামলার পরিবর্তিত তদন্ত কর্মকর্তা নকলা থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন সোমবার সন্ধ্যায় জানান, পূর্ববর্তী তদন্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) সজীব রহমান বদলি হয়ে অন্যত্র যাওয়ায় বর্তমানে মামলাটি আমার হাওলায় রয়েছে। আসামিদের রিমাণ্ডে নিয়ে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ পেলে সুষ্ঠু তদন্ত সংক্রান্তে সহায়ক হতে পারে। তিনি জানান, এ মামলায় পলাতক থাকা এক নারী কাউন্সিলরসহ ২ জনকে গ্রেফতারে এখনও জোর চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, গত ১০ মে নকলা উপজেলার কায়দা গ্রামে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ওই অন্ত:সত্ত্বা গৃহবধূকে গাছে বেঁধে বর্বরোচিত নির্যাতন এবং নির্যাতনে গৃহবধূর গর্ভের সন্তান নষ্টের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ৩ জুন আদালতে একটি নালিশী মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতা গৃহবধূর স্বামী। এরপর নির্যাতনের একটি ভিডিও ভাইরাল হলে তোলপাড় শুরু হয়। এর প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীমের দ্রুত পদক্ষেপে গত ১১ জুন এক সেনা সদস্যসহ ওই গৃহবধূর ৩ ভাসুর ও জাসহ ৯ জনকে স্ব-নামে ও অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা গ্রহণ করা হয়।

Need Ads
error: কপি হবে না!