ads

শুক্রবার , ১৭ মে ২০১৯ | ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে বোরো ধানের বাজার মূল্য কম, শ্রমিক মজুরি চড়া ॥ হতাশ কৃষক

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
মে ১৭, ২০১৯ ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কৃষি ও খাদ্য সমৃদ্ধ অঞ্চল শেরপুরে এবারও বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও একদিকে উৎপাদিত ধানের বাজার মূল্য কম এবং অন্যদিকে শ্রমিক মজুরি অতি চড়া হওয়ায় এলাকার কৃষকদের মুখ থেকে হারিয়ে গেছে হাসি। তারা হতাশ হয়ে বোরো আবাদে উৎসাহ হারাচ্ছেন।
জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে জেলায় ৮৯ হাজার ৫৫৮ হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ৯১ হাজার ৭২ হেক্টর জমিতে। মাঠে ফসলের ফলনও হয়েছে বাম্পার। আর ওই বাম্পার ফলন দেখে এলাকার কৃষকদের মুখে ফুটে উঠেছিল হাসির ঝিলিক। কিন্তু ফণীর প্রভাবে হালকা ঝড় বৃষ্টিতে কোন কোন এলাকার মাঠের ধান ক্ষেতে নুয়ে পড়লে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন কৃষকরা। এর মধ্যেই ধান কাটা শুরু হলে দেখা দেয় শ্রমিক সংকট। আর্থিক অনটনে শ্রমিক মজুরি মিটাতে কাটা ধানের কিছু অংশ বাজারে তুললেও দাম একেবারেই কম। স্থানীয় বাজারগুলোতে বোরো ধান বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়। অন্যদিকে শ্রমিক সংকটে মজুরি এমন চড়া অবস্থায় পৌঁছেছে যে, প্রায় ২ মণ ধানের দামে মিলছে একজন শ্রমিক। কারণ ধান কাটায় দৈনিক একজন শ্রমিকের মজুর দাঁড়িয়েছে ৮শ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত। আর ওই অবস্থায় এখন পর্যন্ত জেলায় প্রায় ৫০ ভাগ ধান কাটা শেষ হলেও বাকি ধান কেটে ঘরে তুলতে হিমসিম খাচ্ছেন কৃষকরা।
সরেজমিনে গেলে কথা হয় শেরপুর সদর উপজেলার মোবারকপুর এলাকার কৃষক শফিকুল ইসলাম মন্ডলের সাথে। তিনি বলেন, ধানে সেচ দেওয়া, সার দেওয়া, পরিচর্যা করা থেকে শুরু করে ধান কাটার সময় শ্রমিকের চড়া মজুরির টাকা দিতে হয়। কিন্তু বর্তমান বাজারে ধান বিক্রি করতে হচ্ছে ৫শ টাকা মণ। এতে করে আবাদের আসল টাকাই উঠছে না। কালিগঞ্জ এলাকার কৃষক জিন্নাহ আলী বলেন, ৩ একর জমিতে ধান আবাদ করেছিলাম। কিন্তু একদিকে চড়া মজুরি, অন্যদিকে ধানের বাজার মূল্য একেবারে কম থাকায় এখন লোকসান দিয়ে ওই ধান বিক্রি করতে হচ্ছে। একই কথা জানান রামকৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষক হারুনুর রশিদ। তিনি বলেন, লাভের আশায় ধার করে বোরো ধান আবাদ করেছিলাম। কিন্তু এবার বাজারে ধানের দাম না থাকায় এখন আসল টাকাই তুলতে পারিনি।
এ ব্যাপারে জেলা খামারবাড়ির উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আশরাফ উদ্দিন বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে জেলায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম, তবে কৃষি বিভাগের তরফ থেকে বোরো আবাদের পরিবর্তে কম খরচে আউশ ধান ও ভুট্টা চাষের প্রতি কৃষকদের আগ্রহী হতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কেননা বোরো মৌসুমে শ্রমিকের অভাব, সার-বীজসহ অন্যান্য খরচ বেশি থাকলেও আউশ ধান চাষে ওইসব খরচ কম।
অন্যদিকে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফরহাদ খন্দকার বলেন, ইতোমধ্যে ধান ও চালের বরাদ্দ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন উপজেলা খাদ্য সংগ্রহ মনিটরিং কমিটির কাজ থেকে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা অনুযায়ী সেই কৃষকদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন ধান ২৬ টাকা কেজি দরে ক্রয় করা হবে। যখন গুদামে ধান নেওয়া শুরু হবে, তখন অবশ্যই ধানের দাম বাড়বে ও কৃষকরা লাভবান হবেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!