ads

বৃহস্পতিবার , ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে গভীর নলকুপ স্থাপনের অনুমতি মিললেও মিলছে না বিদ্যুৎ সংযোগ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৯ ৬:০২ অপরাহ্ণ

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি ॥ শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় সেচ কমিটির অনুমোদন পেলেও পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় মিলছে না বিদ্যুৎ সংযোগ। বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়ায় বোরো মৌসুমে জমিতে সেচ দিতে পারছেন না কৃষকেরা। এতে প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি থেকে যাবে বলে দাবি করেছেন এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। কৃষি বিভাগ বলছে, উপজেলায় এ মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে। তার মধ্যে প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো রোপিত হয়েছে। অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুৎ কৃর্তপক্ষ বলছে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেয়া হচ্ছে বিদ্যুৎ সংযোগ।
জানা যায়, গত বছরের আবেদনসহ চলতি বোরো মৌসুমে প্রায় ১১৫টি সেচ কমিটির কাছে আবেদন জমা দিয়েছিলেন কৃষকেরা। আর এসব আবেদনের পরিপেক্ষিতে বিএডিসির কর্মকর্তাদের তদন্ত প্রতিবেদন দেখে এ উপজেলায় ৮৪টি সেচ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। তন্মধ্যে কাংশা ইউনিয়নেই ২৯টি সেচ কমিটির অনুমোদন মেলে। কিন্তু সেচ কমিটির অনুমোদন পেলেও মিলছে না বিদ্যুৎ সংযোগ।
সরেজমিনে গেলে কাংশা ইউনিয়নের কয়েকজন কৃষক জানান, আবেদন করার পর উপজেলা সেচ কমিটির অনুমোদন পাওয়ার পর থেকেই বিদ্যুৎ-সংযোগের জন্য কৃষকরা ধার-দেনা করে কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে গভীর নলকুপ স্থাপন করলেও মাসের পর মাস অপেক্ষা করে মিলছে না তাদের সেচ পাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগ। কৃষকদের অভিযোগ, শুধূমাত্র পল্লী বিদ্যুতের গাফিলতির কারনেই মিলছে না তাদের বিদ্যু সংযোগ। সরকার যেখানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চাইছে, সেখানে আমাদের পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ আমাদের হয়রানী করছে।
এ ব্যাপারে কৃষি সস্প্রসারণ কর্মকর্তা ফয়জুন নাহার নিপা জানান, এমনিতেই এ উপজেলা পাহাড়ী এলাকা হওয়ায় পানির লেয়ার খুব গভীরে এবং মাটিতে পাথর থাকায় গভীর নলকুপ ছাড়া সেচ কার্যক্রম চালানো কঠিন। তবে যেসব এলাকায় গভীর নলকুপ স্থাপন করা হয়েছে সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করা হলে ইরি মৌসুমে আবাদের পরিমাণ বাড়বে। উপজেলায় এবার ইরির লক্ষ্যমাত্রা হলো ১৪ হাজার ৪শ ২৩ হেক্টর জমিতে এর মধ্যে ৮ হাজার ৩ শ হেক্টরের মত আবাদ হয়েছে। এর পরিমাণ বাড়বে এবং আশা করছি আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা বলেন, এ মৌসুমে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় কৃষকরা চরম দুর্ভোগে পড়ে যায়। তার মধ্যে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের গাফিলতির কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ না হওয়ায় শত শত একর জমি অনাবাদি থেকে যাবে। আমি এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে সদাশয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানাচ্ছি।
তবে এ ব্যাপারে শেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মাশরুল হক খান মুঠোফোনে বলেন, সাদা কাগজে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা ইতোমধ্যে ২০১৮ সালের আবেদনগুলোতে সংযোগ দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে ২০১৯ সালের আবেদনগুলো সার্ভে করে দেখে প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে। গ্রাহকদের হয়রানী হচ্ছে এবং আবেদন গ্রহণের সময় কোন ধরণের রশিদ প্রদান করা হয়নি বলে তাকে জানালে তিনি জানান, সার্ভে শেষে আমরা আবার ১০০ টাকার ফর্মে আবেদন নেব।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads