স্টাফ রিপোর্টার : ভারতের মেঘালয় সীমান্তে গণপিটুনিতে রফিকুল ইসলাম (২৫) নামে নিহত এক বাংলাদেশী যুবকের লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। ৫ মে বৃহস্পতিবার দুপুরে শেরপুরের নাকুগাঁও সীমান্ত সংলগ্ন কিল্লাপাড়া বিএসএফ ক্যাম্পে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিকভাবে ওই লাশ হ্স্তান্তর করা হয়।
হাতিপাগার বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার নাজিম উদ্দিন বাংলাদেশি যুবক রফিকুলের লাশ হস্তান্তরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বুধবার দুপুরে মেঘালয় সীমান্তের তোরা জেলার বারেংগাপাড়া এলাকায় স্থানীয় পুলিশ বাংলাদেশী যুবক রফিকুলের লাশ উদ্ধার করে। স্থানীয়দের কাছ থেকে লাশটি বাংলাদেশী যুবকের হতে পারে জেনে ভারতীয় পুলিশ বিএসএফের মাধ্যমে বিজিবিকে অবহিত করে। বিজিবিও স্থানীয়ভাবে খোঁজখবর নিয়ে লাশটি নালিতাবাড়ী উপজেলার কালাকুমা গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে রফিকুলের বলে নিশ্চিত হলে বৃহস্পতিবার বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশ হস্তান্তরে সিদ্ধান্ত হয়। লাশ হস্তান্তরের সময় নালিতাবাড়ী থানা পুলিশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে এলাকার একটি সূত্র জানিয়েছে, গরুচোর সন্দেহে স্থানীয় অধিবাসীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করে। তবে অপর আরেকটি সূত্র জানায়, রফিকুল মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। গত দু’দিন যাবত সে নিখোঁজ ছিল। সে সীমান্তের ওপারে বারাংগাপাড়ায় গিয়ে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে ভাঙচুর-গালাগাল শুরু করলে স্থানীয় অধিবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ব্যাপক মারধর করে। এতে সে মারা যায়।
এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফসিহুর রহমান স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, শুনেছি ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। ২ মে থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। তিনি বলেন, লাশটি গ্রহণের পর একটি সাধারণ ডায়েরী গ্রহণ সাপেক্ষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।




