ads

সোমবার , ১৪ মার্চ ২০১৬ | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে অবহিতকরণ সভা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
মার্চ ১৪, ২০১৬ ৯:২৯ অপরাহ্ণ

Education Watch-1স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৪ মার্চ সোমবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনে কক্ষে আয়োজিত ওই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ডা. এ এম পারভেজ রহিম। এডুকেশন ওয়াচ-২০১৫ জরিপ রিপোর্টের আলোকে গণসাক্ষরতা অভিযান ও দরিদ্র সমাজ উন্নয়ন সংস্থা যৌথভাবে ওই সভার আয়োজন করে। সভায় ‘সহস্রাব্দ উন্নয়ন থেকে টেকসই ভবিষৎ : প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষার উন্নতির গতিবৃদ্ধি’ শীর্ষক মুলপ্রবন্ধ তুলে ধরেন গণসাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক কে.এম এনামুল হক।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. সুধাময় দাসের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অঞ্জন চন্দ্র পাল, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ উদ্দিন, সমাজসেবা উপ-পরিচালক এআরএম ওয়াহেদুজ্জামান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফজলুল হক, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সহকারি পরিচালক মো. মোক্তার হোসেন ও অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম রেজা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন দরিদ্র সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো. ইমান আলী।
অবহিতকরণ সভায় সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা, শিক্ষক, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, অভিভাবক সহ বিভিন্ন পর্যায়ের শতাধিক অংশগ্রহণকারী ছিলেন।
মুলপ্রবন্ধে এডুকেশন ওয়াচ-২০১৫ জরিপ রিপোর্টের তথ্য উপস্থাপন করে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে গত ২০-৩০ বছরের তুলনায় বর্তমানে আমাদের অনেক উন্নয়ন ঘটেছে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো, শিক্ষার্থী ভর্তি ও উপস্থিতির হার বেড়েছে। শিক্ষক সংখ্যা ও শিক্ষকদের সক্ষমতা বেড়েছে। শ্রেনীকক্ষের পরিবেশ, টয়লেট ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার মাত্রা অনেক বেড়েছে। কিন্তু তারপরও প্রথম শ্রেনীতে ভর্তি হওয়ার পর পঞ্চম শ্রেনীতে যেতে এখনও প্রায় ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা পুর্ণ হওয়ার আগেই ঝরে পড়ছে। দুই তৃতীয়াংশ শিক্ষক এখনও প্রশিক্ষণের বাইরে রয়েছে। খুব কম বিদ্যালয়েই লাইব্রেরী আছে। এখনও অর্ধেকেরও কম বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রান্তিক যোগ্যতা বৃদ্ধি পেলেও সেটা বেড়েছে জ্ঞানভিত্তিক। কিন্তু কাঙ্খিত হারে অনুধাবনমুলক দক্ষতা বৃদ্ধি পায়নি। এজন্য মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন করে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় সম্পদের ব্যবহার, উপজেলা ভিত্তিক মুল্যায়ন ও পরিকল্পনা করতে হবে। স্কুলের শিখন সংস্কৃতি ও পরিবেশ উন্নত করতে হবে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ৩০:১ করতে হবে, জাতীয় বাজেটে শিক্ষার বরাদ্দ বাড়াতে হবে। একই সাথে স্থানীয় সরকারকে প্রাথমিক শিক্ষার সাথে সম্পৃক্তকরণ,বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং নতুন জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়গুলোর উন্নয়নের দিকে নজর দিতে হবে।

Need Ads