ads

বৃহস্পতিবার , ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে কিশোর আলম হত্যার আসামীদের গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৬ ৪:০১ অপরাহ্ণ

Sherpur Pic-Alam Hottya Human Chainশ্রীবরদী (শেরপুর) প্রতিনিধি : পাতিল চুরির অভিযোগে শেরপুরের শ্রীবরদীতে চাঞ্চল্যকর কিশোর আলম (১৬) হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে ১৮ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার কালিবাড়ী মোড়ে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে ওই মামলার আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার দাবি করে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিদ, আমির হামজা, আব্দুল মালেক, শাহিনা বেগম, খোরশেদা বেগম প্রমুখ। তারা ঘটনার প্রায় ৬ মাস পরও ওই মামলার কোন আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সেইসাথে আসামীরা দ্রুত গ্রেফতার না হলে আরও কঠোর কর্মসূচী দেওয়া হবে বলেও জানান।
উল্লেখ্য, ঝিনাইগাতী উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের কৃষক বাচ্চুর মিয়ার ছেলে আলম গত বছরের ১৩ আগস্ট শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের ভায়াডাঙ্গা দণিপাড়াস্থ নানার বাড়ি থেকে ফেরার পথে পাতিল চুরির অভিযোগে আটক হয়। পরে ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে তথাকথিত গ্রাম্য শালিসে ইউপি চেয়ারম্যান আবু সামা কবির তাকে দোষী সাব্যস্ত করে তার শরীরে বেত্রাঘাতসহ বেধড়ক মারপিটে গ্ররুতর আহত করে। ওই অবস্থায় শালিস ভেঙে দিয়ে তাকে আটকে রাখা হয় ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে। পরে খবর পেয়ে তার আত্মীয়-স্বজনরা তাকে নিতে গেলে জানানো হয়, আলমকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। পরদিন ১৪ আগস্ট ভোরে রহস্যজনকভাবে ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার হোসেনপুর গ্রামে ঢাকা-শেরপুর মহাসড়ক থেকে তার লাশ উদ্ধার করে ফুলপুর থানা পুলিশ। শালিসে আলমের ওপর বেত্রাঘাতের ভিডিও চিত্রসহ সংবাদটি মিডিয়াতে প্রচারে আলোচিত হয়ে ওঠে। এর ভিডিও চিত্র ফেসবুক ও টুইটারেও স্থান পায়। ওই ঘটনায় এলাকায় সৃষ্টি হয় তোলপাড়। অন্যদিকে ওই ঘটনায় থানায় মামলা দিতে ব্যর্থ হয়ে আলমের বাবা বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আবু শামা কবির ও ইউপি সদস্য মিল্লাত হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে ২৩ আগস্ট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলাটি রেকর্ড হলেও তদন্তে অগ্রগতি নেই দীর্ঘ ৬ মাসেও।

Need Ads