ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি : শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ে গত ক’দিনের কনকনে শীত ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় জন-জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত বুধ ও বৃহস্পতিবার গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হওয়ায় শীতের তীব্রতা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। মেঘলা আকাশ আর ঘন কুয়াশায় গত দু’দিনে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। হাড় কাপানো শীতে দরিদ্র, ছিন্নমূল, আদিবাসী ও বেদেপল্লীর লোকজন বেশি কষ্ট পাচ্ছে। পাহাড়ী জনপদের লোকজন আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। প্রচন্ড শীত ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় শ্রমজীবি লোকজন যবুথবু হয়ে পড়েছে। কাজে বের হতে পারছে না তারা। প্রচন্ড শীতে সন্ধ্যার পর রাস্তা-ঘাট হয়ে পড়ছে জনশূণ্য। কনকনে শীত ও হিমেল হাওয়ায় বোরো বীজতলা রোপন ব্যাহত হচ্ছে। প্রচন্ড শীতে শিশু ও বায়োবৃদ্ধরা ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। স্থানীয় হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনই ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। হাড় কাপানো শীতে এ উপজেলার জন-জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উপজেলার হাট-বাজারগুলোর শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে লক্ষ্য করা গেছে উপচে পড়া ভীড়। এবার ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের ২ হাজার ২শ’ ৮১টি কম্বল পাবার পর তা প্রশাসনিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। শীতবস্ত্র পাবার আশায় প্রায় প্রতিদিনই শীতার্ত-ছিন্নমূল মানুষ ভীড় করছে পিআইও অফিসে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সেলিম রেজা বলেন, বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করা হয়েছে পাওয়া গেলে বিতরণ করা হবে।




