ads

বুধবার , ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন : ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া; কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ২৫

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
ডিসেম্বর ৩০, ২০১৫ ৭:৪২ অপরাহ্ণ

Ahotoস্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরের ৪টি পৌরসভার ৬৪ টি কেন্দ্রে উৎসব মুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল থেকেই প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। বিশেষ করে মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশ লক্ষণীয়। সু-শৃংখলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। তবে কয়েকটি কেন্দ্রে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। এতে আহত হয়েছে অন্তত: ২৫ জন।
জানা যায়, নির্বাচন উপলক্ষে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে প্রশাসনের কড়া নজরদারী থাকলেও বিকেল ৩টার দিকে দমদমা কালিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে তৌহিদুর রহমান বিদ্যুৎ (উটপাখি) ও কোহিনুর বেগম (ভ্যানিটি ব্যাগ) তাদের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ওই কেন্দ্র দখলের জন্য হামলা চালায়। নির্বাচনী এলাকার ভোটাররা ঘুরে দাঁড়ালে তারা আরও লোকবল নিয়ে কেন্দ্রসহ কেন্দ্রের আশেপাশের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে কমপক্ষে ১০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করে। ওই হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত: ২০জনকে পিটিয়ে আহত করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে পুলিশ উপস্থিত ভোটারদের উপর বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। ওইসময় দুইমাসের বাচ্চাসহ ভোট দিতে আসা এক মহিলা প্রাণভয়ে দৌড় দিলে পাশের ডোবায় পড়ে গিয়ে আহত হয়। ঘটনার প্রেক্ষিতে সাধারণ ভোটাররা পুলিশের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ, বিজিবি, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক ডাঃ এ এম পারভেজ রহিম, পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদুল করিম ঘটনাস্থলে যান। তবে ওই ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি। অপরদিকে পৌর শহরের নওহাটা আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রে নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীক সমর্থকদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও বিজিবি পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে নেয়।
শ্রীবরদী পৌরসভার এপিপিআই উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলাকালে বেলা পৌনে ১২টার দিকে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে ফকির মাহমুদ (৬৫) ও আজিজল হক (৪৫) সহ ৫ জন আহত হয়। আহতরা শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেয়। পরে র‌্যাব, পুলিশ ও বিজিবি সদস্য ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নালিতাবাড়ী পৌরসভার তারাগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর সোয়া একটার দিকে কাউন্সিলর প্রার্থী কামরুজ্জামান কামু ও সুরঞ্জিত সরকার বাবলুর সমর্থকদের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া সংঘটিত হয়। একই সময়ে পাবলিক হল কেন্দ্রেও নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকদের মধ্যে ধস্তধস্তির ঘটনা ঘটে। স্ট্রাইকিং ফোর্স বিজিবি ও র‌্যাব ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এতে ওই দুই কেন্দ্রে প্রায় এক ঘন্টা ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকলেও পরিস্থিতি শান্ত হলে ফের স্বাভাবিক ভোটগ্রহণ হয়। এদিকে নকলা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের মাওরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোট প্রদানের অভিযোগে রফিজ উদ্দিন (২২) নামক এক যুবককে আটক করা হয়েছে বলে নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম হায়দার জানিয়েছেন। এছাড়া কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ডাঃ এ এম পারভেজ রহিম জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারী থাকায় দু’একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ৪ পৌরসভাতেই শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

Need Ads