স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ কর্মকর্তা ও স্থানীয় দৈনিক তথ্যধারা সম্পর্কে ফেইসবুকে বিষোদগারের ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় কথিত সাংবাদিক ছামিদুল ইসলাম জীবনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। তদন্ত কর্মকর্তার ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনের বিষয়ে ১ নভেম্বর রবিবার দুপুরে উভয় পক্ষের শুনানী শেষে ভারপ্রাপ্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোমিনুল ইসলাম ওই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। কোর্ট ইন্সপেক্টর আবুল কালাম ওই রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে যেকোন দিন তদন্ত কর্মকর্তা আসামীকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।
উল্লেখ্য, কথিত সাংবাদিক ছামিদুল ইসলাম জীবন ২৯ অক্টোবর তার ফেইসবুক স্ট্যাটাসে শেরপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার ও সাধারণ সম্পাদক সাবিহা জামান শাপলাসহ ১১ কর্মকর্তা এবং স্থানীয় দৈনিক তথ্যধারা সম্পর্কে নগ্নভাবে বিষোদগার করে তা ফেইসবুক ব্যবহারকারীদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়। এছাড়া প্রেস ক্লাবের গতিশীল কর্মকান্ডে ঈর্ষান্বিত মহলের যোগসাজসে ‘রেড ওয়াইন’ নামে একটি ফেইসবুক ফেইক আইডির মাধ্যমে প্রেসকাব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে ছড়ানো স্ট্যাটাসও জীবন তার ফেইসবুকে শেয়ার করে ছড়িয়ে দেয়। ওই ঘটনায় প্রেস ক্লাব কর্মকর্তাসহ কর্মরত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পরলে শুক্রবার সকালে প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক সাবিহা জামান শাপলা বাদী হয়ে ছামিদুল ইসলাম জীবন ও অজ্ঞাত ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭/৬৬ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের পরপরই ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মাহফুজার রহমান অভিযান চালিয়ে জীবনকে গ্রেফতার করেন। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর সদর থানার এসআই জুবায়ের হোসেন খালিদ ঘটনার নেপথ্য নায়কসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের শনাক্ত, গ্রেফতার ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের স্বার্থে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ জীবনকে আদালতে সোপর্দ করেন। গ্রেফতারকৃত জীবন সদর উপজেলার মুন্সিরচর গ্রামের মৃত সাত্তার মন্ডলের ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। ওইসব ঘটনায় ইতোপূর্বে সে ৪/৫ বার হাজতও খেটেছে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে তার পেছনে কে বা কারা জড়িত তা সহসাই বেরিয়ে আসতে পারে।




