ads

শনিবার , ৩১ অক্টোবর ২০১৫ | ৪ঠা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে ভাইয়ের লাশ দেখে বোনের মৃত্যু

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
অক্টোবর ৩১, ২০১৫ ৯:৫৪ অপরাহ্ণ

Bhai-Bon-1স্টাফ রিপোর্টার : দু’জন ছিলেন পিঠাপিঠি ভাই-বোন। বোনটি ছোট ভাইর চেয়ে দুই বছরের বড় হলেও খেলাধুলা, বেড়ানো, বেড়ে ওঠা সবই ছিলো একসাথে। বোনের বড় আদরের ছিলো ছোট ভাইটি। তাইতো আদুরে ভাইয়ের মৃত্যুশোক সইতে পারেননি বোনটি। ছোট ভাইর লাশ দেখেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বড় বোন। শেরপুর শহরের সজবরখিলা এলাকায় ৩১ অক্টোবর শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। ভাই-বোন আব্দুল মোতালেব ও ফাতেমা বেগমের এমন হৃদয়বিদারক মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার-স্বজন এবং এলাকাবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শেরপুর শহরের সজবরখিলা এলাকার প্রয়াত মুসলিম উদ্দিন জমাদারের দ্বিতীয় ছেলে নি:সন্তান আব্দুল মোতালেব শুক্রবার রাত এগারোটার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেরপুর জেলা হাসপাতালে মারা যান। ৩১ অক্টোবর শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বড় বোন ফাতেমা বেগম জীবন (৬২) সজবরখিলার বাড়ীতে ছোট ভাই মোতালেবের লাশ দেখতে গিয়ে ‘ভাইরে’ বলে চিৎকার দিয়েই জ্ঞান হারান। দ্রুত তাকে শেরপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুই ভাই-বোনের এমন মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে পড়েন। ফাতেমা বেগমের লাশ পরে তার স্বামীর বাড়ী শহরের পূর্বশেরী এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পরিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিন ছেলে দুই মেয়ের জননী ফাতেমা বেগম জীবন ছিলেন তাদের ১১ ভাই-বোনের মধ্যে একমাত্র বোন। তার স্বামী বিএডিসির অবসরপ্রাপ্ত তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. ইসাহাক উদ্দিন। পাঁচ সন্তানের দুই প্রকৌশলী ছেলের একজন পদ্মা সেতু প্রকল্পে একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করছে।
নিহতদের ছোট ভাই সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ বাদল জানান, ফাতেমা আপা ছিলেন আমাদের দশ ভাইর একমাত্র। তিনি ছিলেন সবার আদরের, সবাইকে তিনি ভীষন আদর করতেন। মোতালেব ভাইর লাশ দেখে ‘ভাইরে’ বলে একটি চিৎকার দিয়েই বড় আপা জ্ঞান হারান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আজ আমাদের পরিবারের বড় শোকের দিন। বাদ জোহর বড় ভাই আব্দুল মোতালেবের জানাযা শেষে তার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। রাতে ফাতেমা আপার জানাযা শেষে স্বামীর বাড়ীর পারিবারিক কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!