ads

রবিবার , ৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ২৬শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মাধ্যমিক পর্যায়ের বিনামূল্যে বই বিতরণে অনিয়ম : নকলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
জানুয়ারি ৪, ২০১৫ ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ

Oniomনকলা (শেরপুর) সংবাদদাতা : নকলা উপজেলার ৭নং টালকি ইউনিয়নের ইসলাম নগর সাইলামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে মাধ্যমিক পর্যায়ে বিনামূল্যের প্রতিসেট বইয়ের জন্য ২শ টাকা করে ফি আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বই উৎসবের দিনে বিদ্যালয়ের প্রায় ৮শ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ওই টাকা আদায় করা হয়। ৩ জানুয়ারী শনিবার কয়েকজন ক্ষুব্ধ অভিভাবক ঘটনাটি জানিয়ে ইউএনওর কাছে এর প্রতিকার চেয়েছেন।

Shamol Bangla Ads

অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার সরেজমিন ঘটনাস্থলে গিয়ে চরকামানির পাড় গ্রামের দরিদ্র নূরজাহানের (৫০) সাথে কথা বললে তিনি জানান, “বই উৎসবের দিন বিদ্যালয়ে গিয়ে নাতনীর জন্য বই চাইলে প্রধান শিক্ষক তার কাছে ২শ টাকা দাবী করে বলেন, টাকা না দিলে বই পাওয়া যাবেনা। ১৫০ টাকা দেওয়া হলে তিনি তা ফিরিয়ে দেন। পরে খাবারের চাল ৫০ টাকায় বিক্রি করে ২শ টাকা দিয়ে তিনি বই নিয়ে আসেন।”
অভিভাবক মো. সেলিম আজাদ বলেন, আমার ভাতিজির কাছ থেকে অষ্টম শ্রেণীর এক সেট বইয়ের জন্য ২শ টাকা নিয়েছে প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার। তিনি বলেন বই কম এসেছে, আর নাও আসতে পারে-এমন ভয় দেখিয়ে অনেকের কাছ থেকে ৫শ-৬শ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।
সাইলামপুর বাজারের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোকলেছ মিয়া ও নূরল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন দীর্ঘসময় শিক্ষার্থীদের লাইনে দাঁড় করিয়ে রেখে দুপুরে তাদের কাছে বইয়ের বিনিময়ে টাকা দাবী করা হয়। পরে ২শ টাকা দিয়ে অষ্টম শ্রেণীর বই হাতে পাই।
এব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি টাকা নেওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের বার্ষিক চাঁদা হিসেবে ২শ টাকা নেওয়া হয়েছে। বইয়ের জন্য কোন টাকা নেওয়া হয়নি।
নকলার ইউএনও আবুল কালাম আজাদ বলেন, ঘটনাটি শুনে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!