বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যায়ে ২৫ নভেম্বর মঙ্গলবার ‘আমন ফসল কর্তন ও নবান্ন উৎসব’ ২০১৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাকৃবির খামার ব্যবস্থাপনা শাখা এ উৎসবের আয়োজন করে।

প্রধান খামার তত্বাবধায়ক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ সেলিম এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘আমন ফসল কর্তন উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. জহিরুল হক খন্দকার, কৃষি অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. আফজাল হোসেন, বিএডিসির উপ-পরিচালক সৈয়দ সারোয়ার জাহান। বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার মোঃ আবদুল খালেক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল হক বলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে কৃষির উন্নয়নে তথা বীজ শিল্পের উন্নয়নে বাকৃবি খামার নেতৃত্বের ভূমিকায় রয়েছে। কৃষির অন্যতম বীজ সেক্টরে খামারের ভ’মিকা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

প্রধান খামার তত্বাবধায়ক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ সেলিম বলেন-বাকৃবি খামার থেকে গত বছর ৫৫৭ মেট্রিক টন ধানের বীজ উৎপাদন করে বিএডিসিকে সরবরাহ করা হয়েছে। বীজ বিক্রি থেকে ১ কোটি ২৯ লক্ষ টাকা আয় করে বিশ্ববিদ্যালয় কোষাগাঢ়ে জমা করা হয়েছে। তিনি বলেন বীজ হচ্ছে কৃষির চালিকা শক্তি। কৃষিজাত ফসলের অর্থনৈতিক মেরুদন্ড ও মূলমন্ত্র হলো উন্নতজাতের সুস্থ বীজ। বীজ যদি সুস্থ না হয় এবং মারাত্মক কোন রোগজীবানু বহন করে তবে মহামারী আকারে ফসলহানী ঘটতে পারে। তাই বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনে ফসলের বীজ বাহিত রোগ একটি মারাত্মক অন্তরায়। বাকৃবি খামার অত্যন্ত মানসম্পন্ন সুস্থ বীজ সরবরাহ করে ইতোমধ্যে সুনাম অর্জন করেছে এবংখামারের দক্ষ কর্মিদের আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে প্রতি বছর খামার বীজ উৎপাদন বৃদ্ধি করছে।
পরে ভাইস চ্যান্সেলর ধান কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে ফসল কর্তন উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন খামার ব্যবস্থাপনা শাখার এডিশনাল ডাইরেক্টর কৃষিবিদ হেলাল উদ্দিন।
সবশেষে, নবান্ন উৎসবে চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, মেড়া, পাক্কন, পুলি, ভাপাসহ বিভিন্ন ধরনের সুস্বাদু পিঠা পরিবেশন করা হয়।




