তাপস চন্দ্র সরকার, কুমিল্লা : কুমিল্লা নগরীসহ জেলা শহর গুলোর সকল হাট বা বাজার গুলোতে ওজনে জন্য বাজারে ব্যবহৃত অধিকাংশ বাটখারা ও দাড়িপাল্লাগুলো ওজনে কিংবা মাপে গড়মিল রয়েছে। এর ফলে ক্রেতা সাধারণ প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে। একদিকে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি, অন্যদিকে বেশী টাকা দিয়ে ওজনে কম দ্রব্য কিনতে হচ্ছে ক্রেতা সাধারণকে। সবজি ও মাছের বাজারে ওজনে জন্য ব্যবহৃত ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জামগুলো বেশীরভাগই জং ধরা @ মরিচা ধরা। তবে কাঁচামাল ও মাছের বাজারে অধিকাংশ আধা কেজি বাটখারাগুলো ওজনে কম। এর ফলে ৫০০ গ্রামের স্থলে ৪শ’ কিংবা সাড়ে ৪শ’ গ্রাম কিনতে হচ্ছে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনী সবজি ও মাছের দোকানগুলোতে এ দৃশ্য দেখা যায় বেশী। নগরীর নিউমার্কেট, ছকবাজার, রাজগঞ্জ, টমছমব্রীজ, পদুয়ারবাজার, কালিয়াজুরী বাজার, মগবাড়ী চৌমুহুনী বাজারসহ জেলা শহরের বিভিন্ন হাট ও বাজার গুলোতে ব্যবহৃত বাটখারা ও দাড়িপাল্লাগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যেগুলি খাঁটি নহে সেগুলো জব্দ করাসহ এসমস্ত বাটখারা ও দাড়িপাল্লা ব্যবহারকারীকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ শাস্তি ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন ক্রেতারা।
এদিকে, ১৮৬০ সালের বাংলাদেশ দন্ডবিধির ২৬৪ হতে ২৬৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি প্রতারণা মুলকভাবে মিথ্যা বা অপ্রকৃত বাটখারা কিং বা দাড়িপাল্লা ব্যবহার, তৈরী বা বিক্রয় করে। যাহা মিথ্যা বলিয়া সেজানে, তাহলে সেই ব্যক্তিকে যেকোন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক ১ বৎসরের যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে কিংবা অর্থদণ্ডে কিংবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হইবে।




