হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরের হতদরিদ্র খালেদা আক্তার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ১৩৮তম স্থান পেয়েও অর্থাভাবে অর্থনীতি বিষয়ে যখন ভর্তি হতে পারছিলো না তখন হোসেনপর উপজেলা প্রতিনিধি এস এম তারেক নেওয়াজের সহায়তায় গত ৮ নভেম্বর “শ্যামলবাংলা ২৪ ডট কম” অন লাইন পত্রিকায় ‘ অর্থাভাবে পড়ালেখা বন্ধের উপক্রম মেধাবী শিক্ষার্থী খালেদার ’ শিরোনামে সচিত্র সংবাদ প্রকাশ করেন।এর পর থেকেই দেশে-বিদেশে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। শ্যামলবাংলা বার্তা বিভাগ ও সংবাদদাতার কাছে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের অসংখ্য ফোন আসতে থাকে হতদরিদ্র খালেদাকে সাহায্য-সহযোগীতা করার জন্য। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ১৬ নভেম্বর নির্ধারিত তারিখে খালেদা ঢাকা শ্বিবিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ভর্তির কার্যক্রম সম্পন্ন করে শ্যামলবাংলাকে মোবাইল ফোনে জনান,তিনি শ্যামলবাংলা কতৃপক্ষের কাছে আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবেন।কেননা শ্যামলবাংলা প্রথম এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশিত না হলে হয়তো তার ঢাবিতে পড়ার স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যেত। শ্যামলবাংলার সংবাদ দেখে যারা তাকে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদেরকে ও তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মঙ্গল ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন
উল্লেখ্য, জেলার হোসেনপর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের তারাপাশা গ্রামের হতদরিদ্র আলাল উদ্দিনের মেয়ে মোছাঃ খালেদা আক্তার ২০১৪ সালে হোসেনপুর আদর্শ মহিলা ডিগ্রী কলেজ থেকে মানবিক শাখায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ লাভ করে। সে ২০১২ সালে হারেঞ্জা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসিতেও জিপিএ-৫ পেয়েছিল। মেধাবী খালেদা দারিদ্র জয় করে চলতি শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খ-ইউনিটে মানবিক শাখায় ভর্তি পরীক্ষার মেধা তালিকায় ১৩৮-তম স্থান অর্জন করে (ভর্তি পরীক্ষার রোল নং-৫০২২৮৮) অর্থনীতি বিষয়ে ভর্তির সুযোগ সৃষ্টি হলেও কিন্তু অর্থাভাবে তার পড়ালেখা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এ জন্য খালেদার পরিবার সমাজের বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানালে বিষটি সংবাদদাতার নজরে এলে তিনি শ্যামলবাংলা সচিত্র প্রতিবেদন পাঠালে তা প্রকাশিত হওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমসহ দেশে বিদেশে ব্যাপক সাড়া জাগে।




