এ কিউ রাসেল, গোপালপুর (টাঙ্গাইল): উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের চরচতিলা বাজারস্থ আমরা কতিপয় সংঘের উদ্যোগে মোয়াজ্জেম হোসেন স্মৃতি বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান গতকাল শনিবার বিলডগা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট চিকিৎসক স্যারসলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও মিড ফোর্ড হাসপাতালের রেসপিরেটরী মেডিসিন বিভাগের সহযোগী ও বিভাগীয় প্রধান এবং আমরা কতিপয় সংঘের সভাপতি ডা: মো: রফিকুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি ছিলেন গোপালপুর উপজেলা কিন্টারগার্টেন ডেভেলপার এসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক বাণীতোষ চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা গোপালপুর শাখার সভাপতি মো. আব্দুল লতিফ, গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।
আলোচনায় অংশনেন খন্দকার ফজলুল হক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফরিদ আহমেদ, লাইটহাউস ল্যাব. স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. হাবিবুর রহমান তালুকদার, ভেঙ্গুলা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান, আব্দুর রশিদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণির মোট ৬৪ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মধ্যে মেডেল, সনদ ও নগদ টাকা বিতরণ করা হয়। ৩য় বারের মতো প্রথম স্থান অর্জন করায় লাইটহাউস ল্যাবরেটরী স্কুল এন্ড কলেজকে শ্রেষ্টত্বের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়
প্রসঙ্গত, সংগঠনটি ১৯৯০ সাল থেকে প্রতি বছর এ বৃত্তির আয়োজন করে আসছে।

ঘাটাইলে অর্ধকোটি টাকার মাছ লুটের অভিযোগ

টাঙ্গাইলেল ঘাটাইলের উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের ইজারাকৃত গান্ধী খাস পুকুরে অর্ধকোটি টাকার মাছ লুটের অভিযোগ করেছেন ইজারাদাররা। তাদের দাবি, প্রতিপক্ষরা উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে ঢোল পিটিয়ে গত ৪দিন যাবত শত শত মৎস্য শিকারিকে ডেকে এনে তারা এ মাছ লুটের ঘটনা ঘটিয়েছে। প্রতিকূল পরিবেশের কারণে পুলিশ এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি।
ঘাটাইল উপজেলার গান্ধী গ্রামের ডলফিন মৎস্য সমবায় সমিতির সাংগাঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, রানাদহ কালিয়ান মৎসজীবী সমিতির নামে গান্ধী খাস পুকুরটি সরকারের কাছ থেকে ইজারা নেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে এলাকার বিশজন মৎস্যচাষী ডলফিন মৎস্য সমবায় সমিতির নামে খাস পুকুরটি ইজারা নেয়। সেখানে তারা প্রায় বিশ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে। বর্তমানে মাছগুলো বিক্রি করার উপযোগী হয়েছে। এ সময় এলাকার কিছু দুস্কৃৃৃতিকারী উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ঢোল পিটিয়ে এলাকাবাসীকে দাওয়াত দেয়। এ অবস্থায় এলাকার শত শত মানুষ খাস পুকুরটিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে আজ রোববার পর্যন্ত মাছ ধরার কাজে অংশ নেয়।
ডলফিন মৎস্য সমবায় সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম জানান, এতে তাদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ঘাটাইল থানাকে অবহিত করা হলেও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে কোনো প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফজলুল কবীর জানান, মাছ ধরার কাজে এলাকার শত শত মানুষ অংশ নেয় প্রতিরোধ গড়তে গেলে অনাকাক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো। তাই প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।
ঘটনার তিন দিন পর মৃত্যুর কাছে হারমানলেন মোটরসাইকেল চালক মাছুদ
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতের ঘটনার তিন দিন পর মৃত্যুর কাছে হারমানলেন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মাসুদ রানা (৩০)। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় শনিবার রাতে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সে মধুপুর উপজেলার আউশনারার টিকরি গ্রামের জনৈক আব্দুল মান্নানের ছেলে ও দুই কন্যা সন্তানের জনক।
নিহতের ছোট ভাই মামুন জানান, গত ২৯ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যায় ঘাটাইলের রসুলপুর ইউনিয়নের মোমিনপুর এলাকার জনৈক সুমন ও অপর একজন মধুপুরের চাপড়ী বাজার থেকে মাসুদ রানাকে জরুরী কাজের কথা বলে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলসহ মাছুদকে নিয়ে গোপালপুরের মোহনপুরর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। রাত সাড়ে সাতটার দিকে পৌরশহরের সূতি নয়াপাড়া এলাকায় বেতাকুড়া নামকস্থানে পৌছলে ছদ্মবেশী যাত্রী ওই দুইজন মাসুুুদের কাছ থেকে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ছিনতাইকারীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাসুদ রানা মারাতœক আহত হয়ে ডাক চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
এ সময় ছিনতাইকারীরা মোটরসাইকেলটি রেখেই সটকে পড়ে। মারাত্বক আহত মাসুদকে এলাকাবাসি উদ্ধার করে প্রথমে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল হাসপাতালে রাতেই প্রেরণ করে। সেখানে চিকৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিন দিন পর শনিবার রাত ৮ টার দিকে তার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবর রহমান জানান, ঘটনা গোপালপুর থানায়। মামলা ওই থানায় হবে।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম জানান, ঘটনার দিন কেউ এ বিষয়ে থানাকে অবহিত করেননি, আজ (রোববার) জেনেছি। নিহতের পক্ষের কেউ আসলেই মামলা নেয়া হবে।




