ads

রবিবার , ২৫ মে ২০১৪ | ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

প্রচন্ড তাপদাহে লিচু ফেটে যাচ্ছে : সিংড়ায় বাম্পার ফলনের পরও লিচু চাষীদের লোকসানের আশংকা

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ২৫, ২০১৪ ৭:৩৮ অপরাহ্ণ

Singra (Natore) Lichu News & Photo 25.05.14(1)সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের সিংড়ায় এবার লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলায় ১শ ৫ হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হয়েছে। পুঠিমারী, চামারী, কলম সহ বিভিন্ন জায়গায় বোম্বে, চায়না থ্রি ও মোজাফ্ফর পুলি জাতের লিচু বেশি চাষ । রৌদ্রের তাপমাত্রায় লিচু ফেটে যাওয়ায় কারনে ভালো ফলন হওয়া সত্ত্বেও লিচু চাষীরা লোকসানের আশংকায় ভুগছেন।

Shamol Bangla Ads

চলতি মৌসুমে লিচুর বাম্পার ফলন হওয়ায় প্রতিদিন এই উপজেলার লিচু সারাদেশে কেনা-বেচা হচ্ছে। বাড়ির আঙিনায় লিচু বাগান করেছেন অনেকে। এতে করে এ অঞ্চলের লিচু চাষীরা স্বচ্ছতায় জীবন যাপন করছে। লিচু গাছ থেকে নামানোর পর বাজারজাত করার জন্য বিভিন্ন বয়সের মানুষ এতে জড়িয়ে পড়েছে। দিন মজুর হিসাবেও কাজ করছেন কেউ কেউ । আর এই লিচু নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে ছোট বড় পাইকারী ও খুচরা হাট-বাজার।
বাজার ঘুড়ে দেখা যায়, ১০০টি লিচু ২০০ থেকে ৩০০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর মৌসুমী ফল হিসেবে ক্রেতাদের চাহিদারও কমতি নেই। দোকানে ভীর জমিয়ে লিচু কিনছে অনেকেই। সম্প্রতি রৌদ্রের তীব্র তাপমাত্রা ও পোকা মাকড়ের উপদ্রবে গাছেই লিচু দাগি ধরে ফেটে যাচ্ছে। এতে করে চাষী এবং ব্যবসায়ীদের কিছুটা লোকসান গুনতে হচ্ছে।
সরেজমিনে লিচুর বাগানে গিয়ে দেখা গেছে, লিচু চাষীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। সিংড়া উপজেলার চামারী ইউনিয়নের মহিষমারী, চককালিকাপুর, পাঙ্গাশিয়া, সোনাপুর, বাহাদুরপুর, ও হাতিয়ান্দহ ইউনিয়নের আচলকোট, গুনাইখারা, শালিকা ও হাসিকাটিসহ উপজেলা বিভিন্ন জায়গায় এবার লিচু চাষ হয়েছে। আর এই লিচুগুলো প্রতিদিন ট্টাক ভর্তি করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
পুঠিমারী গ্রামের লিচু চাষী আক্কাছ আলী শেখ বলেন, প্রচন্ড খরার কারণে শেষ মুহুর্তে লিচুর গায়ে স্পট পড়ায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে চাষীরা। ১ম পর্যায়ে লিচু বিক্রি করে লাভবান হলেও শেষ পর্যায়ে লোকসান গুনছেন তারা।
বেশ কিছু লিচু চাষীরা বলেন, লিচু চাষ লাভ জনক হওয়ায় উপজেলার কৃষকরা অল্প জায়গায় বাগান করে সহজে স্বাবলম্বী হতে পারছে। তাছাড়া লিচু চাষের জন্য অনুকূল পরিবেশ হলেও পোকামাকড়ের উপদ্রব ও আবহাওয়া বিপাকে যাওয়ায় দক্ষতা থাকা সত্তেও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন তারা।
তবে তারা আশাবাদী কৃষি বিভাগ যদি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং সহযোগিতা করে তাহলে আগামীতে লিচু চাষে আগ্রহী হবেন চাষীরা। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা জানান, লিচুর বাগান ক্রয় করে তা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে থাকেন। এবারে নিয়মিত কীটনাশক ব্যবহার করলেও আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় লিচু বাগানগগুলো থেকে তুলনামূলকভাবে লাভ কম হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বলেন, উপজেলায় ১০৫হেক্টর জমিতে লিচু চাষ হয়েছে। এর মধ্যে তুলনামূলক ভাবে বেশি চাষ হয়েছে মোজাফ্ফর পুলির জাতের লিচু। তাছাড়া চায়না থ্রি ও বোম্বে জাতের লিচুর চাষও ভালো হয়েছে। তবে পোকামাকড়ের উপদ্রব ও প্রচন্ড খরার কারনে শেষ পর্যায়ে লিচু নষ্ট হওয়ার আশংকায় পড়েছে চাষীরা।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!