তাপস কুমার, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর আত্রাইয়ে সিএনজি ও ভটভটিসহ ছোট যানবাহন চালকরা চাঁদাবাজদের নিকট জিম্মি হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন রুটে এসব চাঁদাবাজরা চালকদের জিম্মি করে চাঁদা আদায় করে থাকে। অনেকের তার দিনের আয়ের প্রায় অর্ধেক টাকা চাঁদা দিতে চলে যায় বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, আত্রাই উপজেলা সদর থেকে কালীগঞ্জ হয়ে বগুড়া, আত্রাই-পতিসর, আত্রাই-নওগাঁ, আত্রাই-ভাবানীগঞ্জ, আত্রাই-সিংড়া রুটে বোঠাখালী ও আত্রাই-বোয়ালিয়া রুটে প্রায় ৫শতাধিক সিএনজি, অটোরিক্সা ও ভটভটি চলাচল করে থাকে। এসব রুটের বিভিন্ন পয়েন্টে বিভিন্ন সমিতি নামে বেনামে এ যানবাহন থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা চাঁদা আদায় করে থাকে। প্রসাশনের পক্ষ থেকে এসব চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোন পদক্ষেপ না থাকায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। চেইন মাষ্টার, মালিক সমিতি ও শ্রমীক সমিতির নামে এসব চাঁদা হাতিয়ে নেয়া হয় চালকদের কাছ থেকে। বিশেষ করে গ্যাস উত্তোলনের জন্য আত্রাই ও বাগমারা এলাকার শত শত সিএনজি প্রতিনিয়ত কালীগঞ্জ রুট হয়ে বগুড়ায় যাতায়াত করে থাকে। এসব সিএনজি চালকরা যাত্রী পরিবহন না করলেও তাদের বেশ কয়েক কয়েক জায়গায় চাঁদা দিয়ে বগুড়ায় পৌঁছাতে হয়। এ জন্য তাদের ব্যয় হয় অতিরিক্ত অর্থ। আত্রাই উপজেলার সিএনজি চালক রওশন আলম বলেন, সপ্তাহে ২ দিন গ্যাস উত্তোলনের জন্য তাদের বগুড়া যেতে হয়। আর এ জন্য তাদের ব্যবহার করতে হয় আত্রাই-কালীগঞ্জ রুট। এ রুটে যাত্রী পরিবহন না করলেও তাদের ৫ থেকে ৭ জায়গায় চাঁদা দিতে হয়। অপর সিএনজি চালক আব্দুস শুকুর বলেন, বগুড়ায় গ্যাস উত্তোলনের জন্য গেলে আমাদের ১৩০ টাকা শুধু রোড় ফি (চাঁদা) দিতে হয়। আত্রাই নওদুলী বাজার, মস্কিপুর, কালীগঞ্জ বাজারে দুই জায়গায়, নন্দীগ্রাম, কুন্দুরহাট, রাণীনগরহাট ও শাকপালাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে এ চাঁদার টাকা দিতে হয়।
এ ব্যাপারে আত্রাই থানা কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ খান জানান, তাঁরা সমিতির আওতায় চাঁদা দিয়ে থাকে। এবিষয়ে আমার কাছে কেও লিখিত কোন অভিযোগ দাখিল করেন নাই। অভিযোগ সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।




