আনোয়ার হোসেন আকাশ, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাও) : ঠাকুরগাওয়ের রানীশংকৈলে বৃষ্টি না থাকায় বিপাকে পড়েছে আম লিচু বোরো চাষীরা।

বৈশাখের সিংহভাগ সময় পার হয়ে গেলেও বৃষ্টির দেখা মিলেনি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করছে এলাকায়। বৃষ্টির হাহাকার চারিদিকে পানি শূন্যতা বিরাজ করছে।
বোরো ধানের শেষ পর্যায়ে এসে পানির অভাব দেখা দিয়েছে। পানির স্তর অনেক নীচে নেমে যাওয়ায় সহজে পানির ঘাটতি প‚রণ করতে পারছেনা কৃষক। বিদ্যুতের লোড শেডিং, অনাবৃষ্টি ভাবিয়ে তুলেছে কৃষককে।

বৃষ্টির অভাবে আম লিচু ফলের বোঁটা শুকিয়ে ঝরে পড়ছে। অন্য বছরের তুলনায় এবার আম লিচুর ফলন অনেকটা কম হওয়ায় কৃষক মাথায় হাত দিয়েছে। অনেকে বাগানে শ্যালো মেশিন বসিয়ে পানির ঘাটতি পুরণ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হচ্ছে।
চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার পরে ঠাকুরগাও জেলা আম লিচুর জন্য বেশ উল্লেখযোগ্য অবস্থান দখল করে আছে। উপযোগী আবহাওয়ার কারনে দিন দিন আম লিচুর বাগান বেড়ে চলেছে। দেশে লিচুর চাহিদা পুরণ করে বিদেশে রপ্তানী করার আশা করছে ঠাকুরগাওবাসি।
এবছর অধিক লাভের আশা করলেও বৈশাখের শেষ প্রান্তে এসে পানির দেখা না পাওয়ায় বোরো আম লিচু চাষিরা চিন্তিত হয়ে পড়েছে।
এলাকার ভানার গ্রামের আম লিচু ব্যবসায়ী আজিজুর, মোকলেসুর জানান, ফল টেকানোর জন্য বাড়তি সেচ, কীটনাশক, প্রতিষেধক ঔষধ দেয়া হচ্ছে। লাভের আশা করে নিরাশ হচ্ছি বৃষ্টি না হওয়ার কারনে। বৃষ্টি না হওয়ায় পোকার আক্রমণ ও ফলের গায়ে দাগ ধরার ভয়ে আতঙ্কিত আছেন বলে জানান তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাজেদুল ইসলাম জানান, প্রতিকুল আবহাওয়ার কারনে কৃষি বিভাগের লোকজন মাঠ পর্যায়ে একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিকুলতা কাটিয়ে উঠতে পারলে কৃষক লাভবান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।




