নরসিংদী প্রতিনিধি : নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দুগম চরাঞ্চলে বাঁশগাড়ী ইউনিয়নে ৭/৮টি গ্রামবাসীর মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। ৫০/৬০টি বাড়ীঘর ভাংচুর এবং ১৫ টি বাড়ী আগুন লাগিয়ে পুরিয়ে দেয়া হয়েছে। ১১ মে রবিবার দুপুর ১২ টা থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয় এবং এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (বিকাল ৫ টা) এ সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে। বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষ দুটি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মধ্যে ভোটের পরের দিন ১ এপ্রিল এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হয়। বহু ঘরবাড়ী ভাংচুর করা হয়। পরে এলাকাবাসীর সক্রিয় সহযোগিতায় এ ব্যাপারে একটি শালিশ দরবার হয়। দরবারে উভয় পক্ষকে দায়ী করা হয় এবং মাত্র ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। প্রায় অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয় ক্ষতি হলেও নামতাত্র জরিমানা কোন পক্ষই মনে প্রানে মেনে নিতে পারেনি। এরই প্রতিহিংসার বহিপ্রকাশ ঘটে গতকাল রবিবার। বাঁশগাড়ী ইউনিয়নের চরমেঘনা, চান্দেরকান্দী, ছোবানপুর, বটতলীকান্দী, কান্দাপাড়া, দিঘলিয়াকান্দী, বালুয়াকান্দীসহ এই ৭ গ্রামে প্রায় ৭/৮ হাজার লোক টেটা, বল্লম, দা, লাঠি, রামদা প্রভৃতি দেশীয় অস্ত্রে শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বিএনপির সমর্থক সাবেক বাঁশগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হক সরকারের পক্ষে মঙ্গল মেম্বার, আক্কাছ আলী, সামত আলী, শওকত সুবেদার, সামসুধন, জয়নাল এবং প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ সমর্থক জাবেদ মাস্টার এর পক্ষে অবস্থান নেয় হারেছ সরকার, শাহ আলম ডাক্তার, হোসেন আলী, বাবুল মেম্বারসহ শত শত লোক।

খবর পেয়ে রায়পুরা থানা পুলিশ এবং নরসিংদী থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করছে।




