ads

মঙ্গলবার , ৬ মে ২০১৪ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কেশবপুরের শ্রীফলা এসকে স্পেটিং ক্লাবটি নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ৬, ২০১৪ ৬:২৭ অপরাহ্ণ
কেশবপুরের শ্রীফলা এসকে স্পেটিং ক্লাবটি নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : কেশবপুরের ঐহিত্যবাহী শ্রীফলা এসকে স্পেটিং ক্লাবটি নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে। ওই ক্লাবের সভাপতির পদ নিয়ে বিরোধ, ক্লাবের জমি সদস্যদের মধ্যে ইজারা না দেয়া, গাছ বিক্রি করতে বাধা দেয়াসহ নানাবিধ কারণে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ক্লাবের উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

অভিযোগসূত্রে জানাগেছে, মজিদপুর ইউনিয়নের শ্রীফলা গ্রামের চানডাঙ্গীপাড়ায় ১৯৬৪ সালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এক ঝাঁক যুবক শ্রীফলা এসকে স্পেটিং ক্লাবটি স্থাপিত করেন। ক্লাবটির কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে সে সেময় রংপুরের আবুল হোসেন নামের এক ব্যক্তি ক্লাবের নামে শ্রীফলা মৌজার ১৫০৯ দাগের ১ একর ৬৪ শতক জমি দান করেন। ১৯৯৬ সালে ওই জমির ওপর ক্লাবের উদ্যোগে ১৩শ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন করা হয়। সেই থেকে সদস্য সঞ্চয়, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদকাসক্ত প্রতিরোধ, শিক্ষাবৃত্তিসহ নানা বিধ সামাজিক কর্মকান্ড পরিচালনা করার কারনে ক্লাবটি ২০০৯ সালের ১৮ আগস্ট সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন সনদপত্র লাভ করে। কিন্তু ১৯৮৮ সালে মাঠ জরিপের সময় এ ক্লাবের অনুকুলে যাবতীয় সম্পত্তি বাংলাদেশ সরকারের নামে হাল রেকর্ড হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে ২০০৯ সালে এসকে স্পোটিং ক্লাবের পক্ষে সাধারণ সম্পাদক বাদী হয়ে যশোর সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং- ১০৯/০৯। ২০১২ সালের মামলার রায় এসকে স্পোটিং ক্লাবের পক্ষে যায়। এ রায় পেয়ে ২০১৩ সালে ক্লাবের নিজস্ব ফান্ড থেকে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় করে বারান্দাসহ ৫ রুম বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। কিন্তু অর্থাভাবে ওই ভবনের দরজা জানালা আর লাগানো সম্ভব হয়নি। যার কারনে ক্লাবের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী সংঘবদ্ধ চক্রটি ভবনের ভেতর মল মূত্র ত্যাগ করা ছাড়াও ক্লাবের গাছের ক্ষতিসাধনসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের ক্ষতি সাধন করে চলেছে।
ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, ক্লাবটি রেজিষ্ট্রেশন হওয়ার পর এলাকার একটি মহল এর সভাপতির পদ দখলে নিত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা ক্লাবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দফতরে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে চলেছে। যার কারনে তাদের বিরুদ্ধে সোমবার কেশবপুর থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়েছে।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম বলেন, এসংক্রান্ত অভিযোগ পেয়ে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!