ads

মঙ্গলবার , ৬ মে ২০১৪ | ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কাজের খোঁজে শতশত শ্রমিক নকলায়

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ৬, ২০১৪ ১:১০ অপরাহ্ণ

SROMIKনকলা (শেরপুর) সংবাদদাতা : কাজের সন্ধানে নকলা শহরে অভাবী দিনমজুর মানুষের ভির বাড়ছে। প্রয়োজনের তাগিতে শ্রমদিতে প্রতিদিন বকশিগঞ্জ, শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী, রংপুর, হুনুমানেরচর, বড়ডৌহাচর, ছোটডৌহাচর সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অভাবী দিন মজুর মানুষেরা দলবদ্ধ হয়ে আসছে নকলা শহরে। তারা নকলা পৌর এলাকার কায়দা গোরস্থান সংলগ্ন, পাগলী মার্কেট, জালালপুর তিন রাস্তা মোড়, ম্যানেজার মার্কেট, বাদাগৈড় ও গড়েরগাঁও মোড়ে খুব ভোরে কৃষকদের জন্য অপেক্ষায় থাকে শতশত ধান কাটা শ্রমিকরা। কৃষকরা দরদাম শেষে প্রয়োজনমত পছন্দের শ্রমিক নিয়ে যায় কাজে। দু’বেলা পেটপুরে খাবার সহ ৩৫০-৪০০ টাকা পারিশ্রমিক দেওয়া হয় এই শ্রমিকদের। কাজের সন্ধানে ১৫ বছরের বালকসহ ৬০ উর্ধ্বো বৃদ্ধরাও এ কাজের মওসুমে কাজ করতে এসেছে। দিনের কাজ শেষে সন্ধায় স্থানীয় সমাজ সেবা অফিস, প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, রেজিষ্ট্রী অফিস, আনসার ভিডিপি অফিস, নারী বিষয়ক অফিস, বিআরডিবি অফিস, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যুব উন্নয়ন অফিসের বারান্দাসহ গ্রীল নেই এমন সকল অফিস ভবনের বারান্দায় রাত যাপন করে ভোরে উঠে কাজের সন্ধানে চলে যায় শ্রমিক হাটে। রাত ১২:১৫ মিনিটে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একচতুর্থাংশ শ্রমিক মশারি ও কাথা ছাড়া রাত যাপন করছে। হনুমান চরের ১৫ বছরের আসাদ, শ্রীবরদীর কফিল, ঝিনাইগাতীর রহিম, ডৌহারচরের ৬১ বছরের আকরাম সহ বেশ কিছু শ্রমিকের সাথে কথা বলে যানা যায়, তাদের এলাকাতে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হয়নি, তাই এখানে এসেছেন। কেউ কেউ বলে “আংগর ওনু কাম কম, এননাইগা আন্নেগরে ওনু আইছি। আংগর ওনু ময়না কম আর ইনু ময়না ৪০০ টেহা”। মোঃ সাইদুল হক, মোখলেছুর রহমান সহ অনেক কৃষক বলেন- অন্য যায়গা থেকে শ্রমিক না আসলে ধান কাটা বা মাড়াই করা আমাদের জন্য অসম্ভব হয়ে পড়ত। টাকা কিছু বেশি লাগলেও সঠিক সময়ে ধান কেটে বাড়িতে আনতে পারছি। কোন কোন কৃষক বলেন- আর ধান চাষ করব না, কারণ জানতে চাইলে বলেন- বীজ, সার, তেল, রোপন খরচ, নিড়ানি খরচ, কাটা ও মাড়াই বাবদ যা খরচ হয়, তা ধান বিক্রি করে উঠে আসে না। ধানের দামটা বৃদ্ধিপেলে পাশাপাশি সার, তেলসহ শ্রমিক খরচটা সামান্য কমলে ধান চাষ করা লাভজনক হত।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!