ads

সোমবার , ৫ মে ২০১৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ভোলায় কুড়িয়ে পাওয়া ককটেল বিস্ফোরণে ২ শিশু আহত

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ৫, ২০১৪ ৬:০৭ অপরাহ্ণ
ভোলায় কুড়িয়ে পাওয়া ককটেল বিস্ফোরণে ২ শিশু আহত

ভোলা প্রতিনিধি : ভোলা সদরে কুড়িয়ে পাওয়া একটি ককটেল বিস্ফোরণে নাঈম (৭) ও হাসনাইন (৬) নামে দুই শিশু আহত হয়েছে। ৫ মে সোমবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ছোট আলগী গ্রামের একটি বাগানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতরা নাঈম ওই এলাকার আলাউদ্দিনের ছেলে এবং হাসনাইন একই এলাকার ইউসুফের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবাশ্বের আলী জানান, ছোট আলগী গ্রামের হালাদার বাড়ির দুই শিশু নাঈম ও হাসনাইন বাড়ির পাশে খেলা করছিল।
এ সময় বাগানে তারা একটি ককটেল দেখতে পেয়ে তা দিয়ে খেলা শুরু করে। এক পর্যায়ে ককটেলটি তাদের হাত থেকে পড়ে বিস্ফোরিত হয়। ককটেল বিস্ফোরণে শিশু দুটির হাতসহ শরীরের বেশ কিছু অংশ ঝলসে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন শিশুদের চিৎকারে ছুটে এসে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করে।
তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে তার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ভোলায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

ভোলা সদরের কুঞ্জপট্টি এলাকায় বিদ্যুতের মালবাহী একটি ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
রোববার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে ভোলা-ভেদুরিয়া সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার সেলিম (২৫) ও যশোরের রাশেদ (২২)।
আহতরা হলেন-রাজিব (২৮), সুমন (২৬), সজিব (২২) ও জহুরুল ইসলাম (৩৬)। তাদের ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হতাহতরা সবাই বিদ্যুত শ্রমিক।

Shamol Bangla Ads

দুর্ঘটনা কবলিত ট্রলির শ্রমিক জহুরুল ইসলাম জানান, ব্যাংকেরহাট এলাকা থেকে বিদ্যুতের (পিডিবি) মালামাল নিয়ে তারা ভেলুমিয়ার নয়ারচর এলাকার দিকে যাচ্ছিলেন। পথে কুঞ্জপট্টি এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি টেম্পোকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রলিটি রাস্তার পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই একজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে অন্যজনের মৃত্যু হয়।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোবাশ্বের আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ট্রলিটি উদ্ধার করা হয়েছে।

ভোলার সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ মোশারেফ হোসেন শাজাহানের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী

৫ মে ভোলা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, প্রাক্তন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আলহাজ মোশারেফ হোসেন শাজাহানের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১২ সালের এই দিনে তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ঢাকা ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সেদিন লাশ দেখার জন্য অগণিত মানুষের ঢল নামে ভোলা শহরে। প্রিয় মানুষটির মৃত্যুর খবরে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। আত্মীয়-স্বজন, দলীয় সহযোদ্ধা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের কান্না ও আহাজারীতে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। সেদিন রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও শুভাকাক্সক্ষীরা তাকে অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় শেষ বারের মতো শ্রদ্ধা জানায়।

দিনটি উপলক্ষে সোমবার সকাল ১০টায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, সকাল ১১টায় শোক র‌্যালী, বেলা ১২টায় শহরের আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে কবর জিয়ারত ও দুপুর ২টায় আপ্যায়নের আয়োজন করা হয় ।
এদিকে মোশারেফ হোসেন শাজাহানের ২য় মৃত্যু বার্ষিকীতে তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরতে গিয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম নবী আলমগীর বলেন, মোশারেফ হোসেন শাজাহানের মত রাজনীতিবিদ বর্তমান সমাজে বিরল। তিনি নিরঅহংকার ও মানবতাবাদি মানুষ ছিলেন। তিনি সব সময় সমাজের কল্যানের কথা ভাবতেন। যেখানেই মানবতার দূর্যোগ দেখা দিয়েছিল সেখানেই তিনি তার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে ছিলেন। ১৯৬৫ সালে চট্টগ্রামে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহাযার্থে ভোলার রাস্তায় রাস্তায় গান গেয়ে চাঁদা তুলে সাহায্য নিয়ে সেদিন চট্টগ্রামের অসহায় মানুষদের পাশে গিয়ে তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন। শুধু সাহায্যই নয় ১৯৭০ সালের ভয়াবহ প্রলংকারী জলোচ্ছাসে শত শত নিহতের পঁচা-গলা লাশ তিনি স্বহস্তে দাফন করেন। লঙ্গরখানা খুলে হাজার হাজার ক্ষুধার্থ মানুষের মুখে আহার তুলে দেবার ব্যবস্তা গ্রহণ করেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতীক জীবনে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, হাসপাতালসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন।
জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ফারুক মিয়া বলেন, তিনি শুধু একজন রাজনিতীবিদই ছিলেন না তিনি একাধারে একজন সাহিত্যিক, কলামিস্ট, নাট্যকার, অভিনেতা হিসেবেও তার প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গিয়েছেন। তিনি হানাহানির রাজনীতিকে কখনো প্রশ্রয় দেননি। তার মৃত্যুতে ভোলাবাসী একজন অবিভাবক হারিয়েছেন বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম খান বলেন, মোশারেফ হোসেন শাজাহান ভাই ছিল একজন সমাজসেবক, সমাজের অবহেলিত মানুষের উন্নয়নের জন্য তিনি বন্ধুজনের মতো একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান করে কাজ করেছেন।তিনি ছিলেন, ভোলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের মধ্যে একজন। মুক্তিযোদ্ধার শুরুতে তিনি ছিলেন, ভোলার প্রথম সংগঠক ও নেতা।
কেন্দ্রীয় যুবদল সহ-সম্পাদক ও জেলা যুবদল সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম কায়েদ বলেন, মোশারেফ হোসেন শাজাহান ছিলেন একজন সৎ মিষ্টভাষী নিরহংকারী অস¤প্রদায়িক, সাহিত্যিক এবং সহজ সরল ব্যক্তি। তিনি ভোলার মানুষের কল্যানের কথা ভাবতেন। রাজনীতিকে পুজি করে তিনি ব্যাবসা করেননি, তিনি মানুষের কল্যানে কাজ করেছেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি খন্দকার আল আমিন বলেন, মোশারেফ হোসেন শুধু একটি নাম নয়, একটি প্রতিষ্ঠান। তার অবিস্মরণীয় বহুমুখী প্রতিভার কারনে তিনি অমর হয়ে থাকবেন ভোলাবাসীর অন্তরে। তার মৃত্যুতে ভোলাবাসী একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, লেখক, আদর্শবান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!