ads

শনিবার , ৩ মে ২০১৪ | ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আত্রাইয়ে খাল খনন প্রকল্প জনসাধারণের কোন উপকারে আসছে না

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ৩, ২০১৪ ৬:০০ অপরাহ্ণ

সুফলের চেয়ে দুর্ভোগই বেশি
৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫টি খাল খনন

Atrai News Photo Khal 03-05-2014তাপস কুমার, আত্রাই (নওগাঁ) : নওগাঁর আত্রাইয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এসব খাল খনন প্রকল্প বাস্তবায়নে এলাকাবাসীর সুফলের চেয়ে দুর্ভোগই বেশি হচ্ছে বলে জানা গেছে। শুস্ক মৌসুমে খালের পানি দ্বারা কৃষি ফসলে সেচ সুবিধা, খালে মৎস্যচাষ সুবিধাসহ নানামুখী সুবিধার কথা এলাকাবাসীকে জানানো হলেও এর কোনই সুযোগ সুবিধা তারা পাচ্ছেনা বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।

Shamol Bangla Ads

সংশি¬ষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২০১০-১১ অর্থ বছর ও ২০১২-১৩ অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের তত্বাবধানে এ উপজেলায় প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫টি খাল খনন করা হয়েছে। এসব খালের মধ্যে রয়েছে জাতআমরুল হতে শুটকিগাছা পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার খাল খননে ব্যয় হয়েছে ৪৭লাখ টাকা। শুটকিগাছা হতে গজমতখালী পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার খাল খননে ব্যয় হয়েছে ৬০লাখ টাকা। ইসলামগাঁথী হতে কাশিয়াবাড়ী পর্যন্ত সাড়ে ১১কিলোমিটার খাল খননে ব্যয় হয়েছে ৫৯লাখ টাকা। এ ছাড়া ২০১২-১৩ অর্থ বছরে আত্রাই হতে বুড়িগঞ্জ পর্যস্ত সাড়ে ৬কিলোমিটার খাল খননে ব্যয় হয়েছে ৬৮ লাখ টাকা এবং সমসপাড়া হতে চকতেমুক পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার খাল খননে ব্যয় হয়েছে ৫৫লাখ টাকা। এ ছাড়াও চলতি অর্থ বছরে ১৯লাখ টাকা ব্যয়ে বিশা হতে উদয়পুর পর্যন্ত পৌনেতিন কিলোমিটার খাল খনন কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এদিকে আত্রাই হতে বুড়িগঞ্জ পর্যন্ত যে খালল খনন করা হয়েছে। এটি মুলত আত্রাই নদী ছিল। এক সময়ের খরস্রোতা এই নদী কালের বিবর্তে খালে পরিণত হতে চলেছে। ইতোপূর্বে নদীটি যতটুকু প্রশস্ত ছিল, বর্তমানে খাল খননের করাতে তা আরও ছোট হয়ে এসেছে। অন্যান্য বছরে বোরো মৌসুমে নদীকূলের শত শত ভূমিহীন মানুষ বোরো ধান চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতো। এ খাল খননের কারনে এবার আর কোন লোক ধানচাষ করতে পারেনি। ফলে তাদেরকে অর্থ দৈন্যতার শিকার হতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলার খনজোর গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, খাল খননের পূর্বে আমাদেরকে বলা হয়েছিল শুকনো মৌসুমে পানি থাকবে। সে পানি দিয়ে সেচ কাজও করা যাবে আবার মাছও চাষ করা যাবে। এখন দেখা যাচ্ছে সেচ ও মাছচাষ তো পরের কথা গরু ছাগলের পান করার মত পানিও নেই। পূর্বেও যা এখনও তাই এ জন্য এ খাল খনন আমাদের কোন উপকারে আসেনি। আত্রাই এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী তাজমুল হক বলেন, খাল খননের উপকার অবশ্যই এলাকাবসী পাবেন। তবে একবারেই উপকার আসবেনা। পর্যায়ক্রমে যখন আরও প্রশস্ত করে খনন করা হবে তখন তারা উপকার ভোগ করতে পারবেন।
এ ব্যাপারে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার হেমন্ত হেনরী কুবি বলেন, প্রকল্পটি যে বিভাগ থেকে বাস্তবায়ন করা হয়েছে তারা আমার সাথে কোন সমন্বয় করেননি। তারা যদি সমন্বয় করতেন তাহলে জনগণের উপকারের বিষয়টিকে প্রাধান্যদিয়ে কাজ করা হতো।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!