শরণখোলা (বাগরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার তাফালবাড়ি বাজারে বৈশাখী মেলার নামে চলছে অশ্লীল নৃত্য ও জমজমাট জুয়ার আসর। আইন-শৃংখলা বাহিনীকে ম্যানেজ করে তাফালবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি থেকে মাত্র ৪’শ গজের মধ্যে এসব অবৈধ কার্যকলাপ চলায় এলাকার মানুষের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, স্থানীয় একটি মহল মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নামে জেলা প্রশাসন থেকে ১০ দিনের জন্য যাদু ও র্যাফেল ড্র সহ অন্যান্য সাধারন খেলার অনুমতি আনে। গত ১লা মে থেকে শুরু হয় এ মেলা। অথচ মেলার নামে সেখানে পুতুল নাচের নামে চলছে অশ্লীল নৃত্য ও জমজমাট জুয়ার আসর। আর এ অশ্লীল কর্মকান্ড দেখতে উঠতি বয়সের কিশোর ও যুবকরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। এইচএসসি ও ডিগ্রি পরিক্ষা চলাকালীন সময় এ ধরনের আয়োজনে অভিভবকরা শংকিত হয়ে পড়ছে। নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক কয়েকজন অভিভাবক জানান, বৈশাখী মেলার নামে যেভাবে অশ্লীল নৃত্য দেখানো হচ্ছে তা ভাষায় প্রকাশ করার নয়। এসব দৃশ্য দেখে ছেলে-মেয়েরা বিপদগামী হতে বাধ্য। অনেকে ওই নৃত্য মোবাইল ফোনে ধারন করে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিচ্ছে। এব্যাপারে তাফালবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইন-চার্জ এস,আই জিলুর রহমান ছোটখাটো কিছু জুয়া চলছে বলে স্বীকার করেছেন। তবে, বিষয়টি নিয়ে ওসি সাহেবের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।
জানতে চাইলে শরণখোলা থানার ওসি কাজী আঃ সালেক জানান, শুধু মাত্র যাদু ও র্যাফেল ড্র সহ সাধারণ খেলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তবে জুয়া বা অশ্লীল নৃত্য হলে ব্যাবস্থা নেয়া হবে। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোল্যা নিজামুল হক জানান, শুধু মাত্র সাধারন মেলার অনুমতি দেয়া হয়েছে। সেখানে কোন ধরনের জুয়া, পুতুল নাচ বা যাদু খেলার কোন অনুমতি দেয়া হয়নি। মেলা উদযাপন কমিটির আহŸায়ক এইচএম পলাশ মাহমুদ জানান, মেলার অনুমতি আনতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। তাই খরচ পুষিয়ে নিতে কিছু কিছু বিষয়ে ছাড় দেয়া হচ্ছে।




